র্যাব-১৩-এর অভিযানে বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার নলডাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, ভিকটিম একজন বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী। গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোঃ লাল মিয়া (৪৫) ভিকটিমের পরিবারের প্রতিবেশী।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর সকালে ভিকটিম নিজ বাড়ি থেকে প্রতিবেশী আসামির বাড়িতে বেড়াতে যায়। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বাদী আসামিকে বাড়ীর পাশে ভিকটিমকে ধর্ষণ করতে দেখে চিৎকার দেন। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে দেখে আসামি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
র্যাব কর্মকর্তা আরো জানান, ঘটনার পর থেকে গ্রেপ্তার এড়াতে আসামি আত্মগোপনে ছিলো। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া এলাকা থেকে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মোঃ লাল মিয়া (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

