সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদসহ আ.লীগের ৩৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদসহ আ.লীগের ৩৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ আমলি আদালতে আ.লীগ সরকারের সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় আসামি হলেন শহীদের দুই ভাইসহ শ্রীমঙ্গল উপজেলা আ.লীগের ৩৭ নেতাকর্মী।

বিজ্ঞাপন

সোমবার বিচারক মিছবাহউর রহমানের আদালতে মামলাটি করেন শ্রীমঙ্গল শহরতলির সিন্দুরখান ইউনিয়নের শ্রীগাঁও এলাকার বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ জসিম উদ্দীন (৪২)।

মামলার আসামিরা হলেন, আব্দুস শহীদের ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, কমলগঞ্জ উপজেলা রহিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ কলেজের ক্যশিয়ার বিকাশ চন্দ্র দেবনাথ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব, সাধারণ সম্পাদক জগৎ জ্যোতি ধর শুভ্র, উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা মো. শাহজাহান মিয়া, আব্দুল ওয়াহিদ আক্তার, মো. জাফর মিয়া, আব্দুল মোছাব্বির লোকমান মেম্বার, মো. পারভেজ মিয়া, মো. নুরুল ইসলাম, মো. জালাল মিয়া, ভুন্ডল চাষা, হাফিজুর রহমান, মুহিবুর রহমান, আবেদ হোসেন, মসুদুর রহমান মসুদ, আবু জামান চৌধুরী রিপন, রাজু দেব রিটন, আকাশ দেব জুয়েল, দুলাল মিয়া, মো. শিপন মিয়া, মো. রাজন মিয়া, বদরুল আলম শিপলু, মো. আব্দুর রশিদ, মো. তারেক আজাদ, মো. সানুর মিয়া, মো. হামিদ মিয়া, মিতালী দত্ত (সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান), প্রাণেশ গোয়ালা, উজ্জ্বল দাস, সাজিদ মিয়া, জয়রাম কর্মকার, মো. মোস্তফা মেম্বার, মহেন্দ্র কর। মামলায় এছাড়াও অজ্ঞাত আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

জানা গেছে, মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচারক মিছবাহউর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই পুলিশকে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশনা দেন।

বাদী মামলার এজাহারে অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে ৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সিলেট যাওয়ার পথে হবিগঞ্জের মিরপুরে অভ্যর্থনা জানিয়ে ফিরছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা। শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনায় আসার পর তাদের ঘেরাও করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ ও তার দুই ভাইয়ের নির্দেশে আসামিরা। একপর্যায়ে সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন তাজুকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে শ্রীমঙ্গল চৌমুহনায় ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন