হবিগঞ্জ-২ (আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং) আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে সাধারণ ভোটারদের ধারণা। বিগত কিছুদিন আগেও যেখানে বিএনপির একক ভোট ছিলো সেই জায়গাগুলোতে এখন জামায়াতের গুঞ্জন। আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সাধারণ জরিপে উঠে আসে এক নতুন চিত্র। উপজেলা বদলপুর ইউনিয়নের ভোটারদের ভোট ব্যাংকই এগিয়ে থাকবেন প্রার্থীরা। বদলপুর ইউনিয়ন থেকে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে যিনি থাকবেন সেই হবেন আজমিরীগঞ্জ থেকে বিজয়ী।
হবিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবনের সাথে বিগত নির্বাচনে তারই দলীয় সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ (বড় হুজুর)।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় দুজনেরই জনপ্রিয়তা রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মতামতে বলা হচ্ছে যিনি এই আসনে আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট বেশি পাবেন তিনিই বিজয়ী। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোটেই আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় খুলবে ভাগ্যের চাকা।
এক সময় দুজন এক পক্ষে নির্বাচন করা নিয়েও সাধারণ ভোটারদের মাঝে তৈরি হচ্ছে নানা কৌতুহল। এবছর দুজনই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। আজমিরীগঞ্জ বদলপুর ইউনিয়নের ভোটার এলাছ মিয়া বলেন, আমরা পূর্ব থেকেই বিএনপিকে সমর্থন করে আসছি, এবছরও বিএনপিকেই ভোট দিবো।
আমাদের ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টি ওয়ার্ডই হিন্দু ভোটার। আমার ধারণা সব ইউনিয়ন মিলিয়ে বিএনপি-জামায়াত যিনি বিজয়ী হবেন আমাদের ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটই মূল কারণ হয়ে দাঁড়াবে ।
জুমন মিয়া নামে আরেক ভোটার জানান, যদিও সব মিলিয়ে বিএনপি প্রার্থী ডা. জীবন এগিয়ে আছেন তবে আমাদের ইউনিয়নে জামায়াতের গোপন ভোট বেশি।
আজমিরীগঞ্জের জামায়াতের আমির নাসির উদ্দীন আমার দেশকে বলেন, মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বড়হুজুর খুবই জনপ্রিয় একজন মানুষ। আমাদের জোটের প্রার্থী হিসাবে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি, বিগত নির্বাচনগুলোর মতো বানচাল নির্বাচন না হলে ইনশাআল্লাহ বিজয় সুনিশ্চিত।
বিএনপি প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন বলেন, আমরা জনগণনের জন্য কাজ করবো, জনগণই ভোটের মাধ্যমে প্রমাণ করবে জনপ্রিয়তা। বিগত নির্বাচনে বড়হুজুর আমাদের দল সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন, এবছর আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। জনগণের ভোটে ইনশাআল্লাহ বিপুল ভোটেই বিজয়ী হবো।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

