‘ব্যাঙের ছাতার’ মতো গড়ে ওঠা নামসর্বস্ব ও অনুমোদনহীন এডুকেশন কনসালটেন্সি ফার্মগুলোর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লাগাম টানতে সরকারের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছে উচ্চশিক্ষা খাত সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা। তারা বলেন, কোনো কঠোর তদারকি বা নির্দিষ্ট নীতিমালা ছাড়াই শুধু সাধারণ একটি ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে এই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠছে। এতে করে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা অর্জনে আগ্রহীদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ফরেন এডমিশন ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট কন্সালটেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফ্যাকড-ক্যাব)’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
সংগঠনের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি জুয়েল বলেন, নামমাত্র কিছু টাকা খরচ করে কেবল একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন কনসালটেন্সি সেন্টার গড়ে উঠছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, এসব নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, যার ফলে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নভঙ্গ ও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া যথাযথ কাউন্সিলিংয়ের অভাব এবং অবৈধ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী পাঠানোর নামে বড় অঙ্কের টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। কনসালটেন্সি ফার্ম পরিচালনার জন্য সরকারিভাবে একটি সুনির্দিষ্ট ও কঠোর রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক বা নীতিমালা তৈরি করা জরুরি। বিদেশে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে যেমন বিশেষ এজেন্সির পূর্বানুমতি লাগে, ঠিক তেমনি এডুকেশন কনসালটেন্সির ক্ষেত্রেও বিশেষায়িত বোর্ডের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হলে এসব চক্রকে থামানো সম্ভব। ফলে আমরা চাই সরকার যেন এ বিষয়ে খুব গুরুত্ব দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, ফ্যাকড-ক্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বশির আহমদ, মেহেদি হাসান প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

