আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

সাবেক গভর্নর আতিউরসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

স্টাফ রিপোর্টার

সাবেক গভর্নর আতিউরসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ফাইল ছবি

অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার দুদকের পাবলিক প্রসিকিটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই পরোয়ানা জারি করেন।

তিনি আরো বলেন, গত বছরের ২০ অক্টোবর ড. বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। গত ১৫ জানুয়ারি চার্জশিট আমলে নিয়ে ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেয় আদালত। একই সঙ্গে আদালত আগামী ৪ মার্চ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন বিচারক।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা অন্য আসামিরা হলেন— বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ।

এ ছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এ জি এম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ম্যানেজার (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এস ই ও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুক, অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।

এ মামলার শুনানির আগে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি ড. বারকাতকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আবার তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আবুল বারকাতের পক্ষে তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করেন বিচারক।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, যা সুদ-আসলে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন