সালমান-আনিস-কামরুল-পলকসহ ৬ জন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার

সালমান-আনিস-কামরুল-পলকসহ ৬ জন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক তিন মামলায় সাবেক বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, কামরুল ইসলাম, জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এদিন কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মো. ফকরুল হাসান ফারুক, জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন একই থানার এসআই মো. নাহিদ হাসান। অন্য চার আসামিকে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মোহাম্মদ জহির উদ্দিন গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান, জুনাইদ আহমেদ পলক এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসানকে স্টিলের দোকানের কর্মচারী রাসেল মিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর মেহেদী হাসান প্রান্ত হত্যা মামলায় কামরুল ইসলামকে এবং ইমরান হাসান হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব চৌধুরী জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর আগে আসামিদের উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রাসেল হত্যা মামলার বিবরণী থেকে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গত বছরের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন রাসেল মিয়া। বিকেলে আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বোন আকলিমা আক্তার চলতি বছরের ৩০ জুন যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন।

মেহেদী হাসান প্রান্ত হত্যা মামলা থেকে জানা যায়, গত বছরের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানাধীন রায়েরবাগ বাসস্ট্যান্ডে রাস্তার ওপর বৈষম্যবিরোধী মিছিলে অংশ নেন প্রান্ত। সেখানে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। তাকে হাসপাতালে নেওয়া চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার চাচা নাদিম ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯৪ জনের নামে মামলাটি দায়ের করেন৷

ইমরান হত্যা মামলায় অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নির্বিচারে গুলি করে। এতে ইমরান হাসান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। গত ১ সেপ্টেম্বর তার মা কোহিনুর আক্তার বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ২৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন