বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ দিবসে জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

একটি দক্ষ বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখা এবং বিচারকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে জানিয়েছে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে মামলার জট নিরসন করে দ্রুততম সময়ে জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

রোববার বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোসাইন এবং মহাসচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ অভিমত তুলে ধরেন। 

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র রায়ের আলোকে বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক বিচার ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে স্বাধীন বিচার বিভাগের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর থেকে নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বিচারক সমাজ সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। 

বিবৃতিতে বিচার বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব মহলের আন্তরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক ভূমিকার আহ্বান জানানো হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও আইনের শাসন পরিচালিত সমাজ বিনির্মাণ করা সম্ভব হবে বলে জানান তারা।

এই দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সব স্তরের বিচারক, বিচারালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনজীবী এবং সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে সংগঠনটি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন