রাজধানীর মিরপুর পীরের বাগ থেকে গ্রেপ্তার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সহ-সভাপতি নিবাস মজুমদারকে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার নিবাসকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান। তবে ওই দিন রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি উক্ত ঘটনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ‘শেখ হাসিনা সৈনিক সেন্ট্রাল’ নামক টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামির অবস্থান চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার এবং বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ককটেলের উৎস সন্ধানে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
আদালতে আসামি নিবাসের পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ডে নেওয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণির মহাখালী বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫-৪০ জন নেতাকর্মী অবৈধভাবে মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিসহ রাষ্ট্রবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড চালানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


