জয় বাংলা ব্রিগেড’র জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় চার্জগঠনের শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ২ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. রবিউল ইসলাম নতুন এ তারিখ ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন এতথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিন মামলাটির অভিযোগ গঠনের বাকি অংশের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। তবে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক আব্দুস সালাম ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক পরবর্তী শুনানির ওই দিন ধার্য করেন।
এর আগে, গত ২১ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের আংশিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন গ্রেফতার ৩০ জন আসামিকে আদালতে হাজির করেন পুলিশ। ৩০ জন আসামির মধ্যে ২০ জনের চার্জগঠন বিষয়ে শুনানি হয়েছিলো।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।
গত ১৪ অগাস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ পলাতক ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেন। পরবর্তী ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতাকর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য সারা দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

