আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, নাকচ আবিদুলের

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, নাকচ আবিদুলের

ডাকসু নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহসভাপতি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। এর আগে আবিদুলের বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেল আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে। খবর বিবিসি বাংলা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রে ঢুকেছেন।

বিজ্ঞাপন

ডাকসুর নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী, ‘নির্বাচনি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। অর্থাৎ আচরণবিধি অনুযায়ী একজন প্রার্থী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

আবিদুল খান উলটো অভিযোগ করেন, প্যানেল প্রধান হিসেবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে যেটুকু প্রবেশাধিকার থাকার কথা, সেটাও তিনি পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন—এখন পর্যন্ত রোকেয়া হলের টিএসসি যে কেন্দ্র সেখানে আমি এক্সেস পাইনি, উদয়নের কেন্দ্রে এক্সেস পাইনি।

এছাড়া, ছবি দিয়ে লিফলেট বিতরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ৪১জনকে ভোট দিতে হওয়ায় অনেকে সেটা ভুলে যেতে পারেন। তাই ছবিসহ এটি ছাপানো হয়েছে। অন্যরাও এমনটা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

‘এটা নিয়ে আমরা চিফ রিটার্নিং অফিসারের সাথে কথা বলেছি। সেখান থেকে কোনো বাধা আসেনি।’

এছাড়া আবিদ-হামীম প্যানলের পোলিং এজেন্টের সংখ্যা এত কম কেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন প্রতি কেন্দ্রে একজন করে পোলিং এজেন্ট থাকতে পারবে বলে তাদের জানিয়েছিলেন।

পরে হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তারা জানিয়েছেন এক প্যানেলের আটজন থাকতে পারবে।

তবে আবিদুল জানিয়েছেন, নানা বিষয়ে অনেক ধরনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে, প্রকাশ্যে অভিযোগ না করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন তারা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন