চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও চাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিবের পদত্যাগ চায় ছাত্রদল। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কা থেকেই এমন দাবি- বলছেন সংগঠনটির নেতারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার আমার দেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার করতে হবে। দলকানা রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ এবং চাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. কেএম আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর পরিবর্তে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিতে হবে। আমি বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলছি না। একদম নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিতে হবে।
এর আগে গত বুধবার ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকানা প্রশাসনের অধীনে কতটুকু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় থেকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, তা নিয়ে আমরা যথেষ্ট সন্দিহান। এই দলকানা প্রশাসনের অধীনে আমরা নির্বাচনে যাব কি না তা এখন ভেবে দেখার বিষয়।
চাকসুর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে। ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া শুরু হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর। আগামী ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
চবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের দলান্ধতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি স্থানীয় গ্রামবাসীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রক্টরের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করে সংগঠনটি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

