কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শিলখুড়ি ইউনিয়নে গুদামের দরজা ভেঙে সার লুটের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটি সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ পর্যন্ত ১১৫বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেককে সভাপতি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সাইফুর রহমান।
তদন্ত কমিটির সভাপতি ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক বলেন, ‘বর্তমানে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আছি। প্রত্যক্ষদর্শী, ডিলার ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে সার লুটের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের পর বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, ‘সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ কৃষকদের নিয়ে যাওয়া সারের মধ্য থেকে ১১৫ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। আশা করছি আজকের মধ্যেই আরো ২০ থেকে ২৫ বস্তা সার উদ্ধার করা সম্ভব হবে। সার ডিলারকে কৃষি অফিস থেকে শোকজ করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সোমবারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
ঘটনার পর বিসিআইসির সার ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজিম উদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

