নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, ফ্যাসিস্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিচার নিশ্চিতের পরই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন চায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ৭০ শতাংশ আবাসন ভাতা বাস্তবায়ন ও সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি তুলে ধরেন জবি শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “আমরা জকসু নির্বাচনের বিপক্ষে নই। তবে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে এখনও গণহত্যাকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হামলাকারীরা সক্রিয়— তাদের বিচারের আগে কোনো নির্বাচন শিক্ষার্থীদের কল্যাণে হবে না। কাল তাদের বিচার করুন, পরশুই জকসু নির্বাচন হোক, আমাদের আপত্তি নেই।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু গোষ্ঠী জকসু নির্বাচনকে সামনে এনে শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি আবাসন ভাতাকে আড়াল করতে চাইছে। “আমরা চাই মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীরা অন্তত খাবারের খরচ চালাতে পারে। এজন্য আবাসন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।”
শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা প্রশাসনকে সময়সীমা দিয়েছি। এর মধ্যে আবাসন ভাতা কার্যকর না হলে আমরাও তালা দেব। তবে ভেতরে নয়, বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেব। তখন আপনারা সচিবালয় আর ইউজিসিতে গিয়ে ফাইল নিতে পারবেন না।”
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, সুমন সরদার, মুস্তাফিজুর রহমান রুমি, শাহরিয়ার আহমেদ, রবিউল আউয়াল, নাহিয়ান বিন অনিক, রাশেদ আমিন, সাখাওয়াত ইসলাম পরাগ, রাসেল মিয়াসহ অন্যরা।
ছাত্রদলের নেতারা বলেন, আন্দোলন গণতান্ত্রিকভাবে হওয়া উচিত। “আমরা অন্য সংগঠনের মতো উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করি না। তবে প্রয়োজনে আমরাও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে প্রস্তুত।”
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

