জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মালিকানা দ্বন্দ্বের পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মাছ চাষি হাসান আলীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নওটিকা পুকুরপাড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন নওটিকা গ্রামের শ্রী মুন্না (২৬), পলাশ (৫০), শহীদ (২৮), জিয়াউল ইসলাম (৪৫), সুজাউল ইসলাম (৫৫), সিহাব (১৭) ও মোরাদ হোসেন (৪৫), মো. কামরুল ইসলাম (৩২), আলহাজ্ব হাসান আলী (৫০), মো. নূরুল আলম মণ্ডল (৩৫), আবুল কাশেম (৫৫) ও তছলিম (৩২)।
আহতদের প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এ বিষয়ে পুকুর লিজগ্রহীতা আব্দুল আলিম চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুকুরের মালিক সাজ্জাদের কাছ থেকে তিনি এক বছরের জন্য পুকুরটি লিজ নিয়েছেন এবং সেখানে মাছও ছেড়েছেন। তবে অপর পক্ষ ক্ষমতার জোরে একই পুকুরে মাছ ছেড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে মাছ চাষি আলহাজ্ব হাসান আলী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নওটিকা পুকুরে মাছ চাষ করে আসছেন। সারা বছর পুকুরে মাছের পরিচর্যা ও খাবার দিয়ে মাছ বড় করার পর সম্প্রতি তিনি মাছ বিক্রি শুরু করেন। হাসান আলীর দাবি, মোরাদ ও আলিমের নেতৃত্বে তার কাছে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাছবাহী পিকআপগুলোতে হামলা চালানো হয়।
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

-7454c8-720x405.webp)