প্রেম কিংবা ত্রিকোণ প্রেমের গল্প পর্দায় অহরহ দেখা গেলেও বিয়ের পর দম্পতির সম্পর্কের নানা টানাপোড়েন নিয়ে কাজ তুলনামূলক কম। দাম্পত্য জীবনের এমনই বাস্তবসম্মত ভাবনা থেকে নির্মাতা জাহিদ প্রীতম নির্মাণ করেছেন নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। ৮ অক্টোবর চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ’হ্যাপিলি ম্যারিড’।
গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সিভিক অডিটোরিয়ামে জমকালো আয়োজনে চরকির এই অরিজিনাল ফিল্মটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে সিনেমাটির দুই প্রধান অভিনয়শিল্পী আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েলসহ উপস্থিত ছিলেন এর নির্মাতা ও কলাকুশলীরা।
প্রদর্শনী শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নায়ক আরিফিন শুভ। সিনেমাটির বিষয়বস্তুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়—বিবাহিত জীবনে সুখী থাকার আসল রেসিপি কী? এমন প্রশ্নে রসিকতা করে শুভ বলেন, “ম্যারিড লাইফে হ্যাপি থাকার রেসিপি হচ্ছে, প্রত্যেক সপ্তাহে একবার করে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দেখতে হবে। শুক্রবার দিন সকালবেলা উঠে এটি একবার করে দেখতে হবে, তাহলেই হ্যাপি ম্যারিড থাকতে পারবেন।”
সিনেমায় কেয়া পায়েলের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন আরিফিন শুভ। কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ক্যামেরার সামনে ও পেছনের পুরো টিম অনেক কষ্ট করেছে, তবে পুরো কাজটিই তারা ভীষণ আনন্দের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। নিয়মিত পর্দায় দেখা না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে শুভ বলেন, তিনি নিজে কাজের সুযোগ তৈরি করেন না; বরং কাজের সুযোগ তার কাছে আসে। সামনে ভালো কাজ এলে দর্শকরা তাকে আরও বেশি পর্দায় দেখতে পাবেন।
এর আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শুধুমাত্র ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ লিখে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন আরিফিন শুভ। সেটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনা তৈরি হলেও পরে জানা যায়, পোস্টটি ছিল সিনেমাটির প্রচারণারই অংশ।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে সমকালীন সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে ঘিরে। এতে সহজ-সরল ও সৎ যুবকের ‘আনিস’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে উচ্চবিত্ত শহুরে জীবনের সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চুয়াল দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকা ‘অনামিকা’ চরিত্রে দেখা যাবে কেয়া পায়েলকে।
ছবিয়াল সহ-প্রযোজিত ও চরকি প্রযোজিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের সপ্তম ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন চরকির সিইও রেদওয়ান রনি, নির্মাতা জাহিদ প্রীতম, অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা, দীপা খন্দকার, নাট্যনির্মাতা ও অভিনেতা সালাহউদ্দিন লাভলু এবং প্রজেক্টের ক্রিয়েটিভ প্রোডিউসার আরেফিন জিলানী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

