বাংলাদেশের বিনোদন ও পর্যটন অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে ‘চলো ঘুরে আসি’ এবং এর ট্যালেন্ট হান্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ফেস অব টুমোরো’। ভ্রমণ, গল্প বলা এবং নতুন প্রতিভা—এই তিনকে একসূত্রে গেথে শুরু হয়েছে দেশের প্রথম ট্রাভেল-স্টোরিভিত্তিক সিনেম্যাটিক ফ্র্যাঞ্চাইজি।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গতকাল সোমবার একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে জানানো হয়, মার্কেটার্স ৩৬০ ডিগ্রি আয়োজিত এই মেগা প্রজেক্টটি মূলত দুটি ধাপে বিভক্ত।
প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম ‘ফেস অব টুমোরো’-এর মাধ্যমে নতুন অভিনয়শিল্পী নির্বাচন করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতদের নিয়ে দেশের তুলনামূলকভাবে অপ্রচলিত ১০টি লোকেশনে নির্মিত হবে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। প্রতিটি চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য থাকবে প্রায় ২০ মিনিট।
প্রকল্পটির জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত ৬০০টিরও বেশি বাস্তব ভ্রমণগল্প থেকে বাছাই করা হয়েছে সেরা ১০টি গল্প। এগুলো পর্দায় রূপ দেবেন ১০ জন নির্মাতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন কচি খন্দকার, মাহমুদা সুলতানা রীমা, জাহিদ প্রীতম, প্রীতি দত্ত, আলোক হাসান, মাইদুল রাকিব, শ্রাবণী ফেরদৌস, মুহাম্মাদ মিফতাহ আনান, ইফতেখার ইফতি এবং রিজওয়ানুল ইসলাম সানজিদ।
‘ফেস অব টুমোরো’-এর অংশগ্রহণকারীরা ২০ দিনের একটি গ্রুমিং বুটক্যাম্পে অংশ নেবেন। সেখানে অভিনয়, ক্যামেরা পারফরম্যান্সসহ বিভিন্ন পেশাদার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এখান থেকেই নির্বাচিতরা ১০টি চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাবেন।
পুরো প্রক্রিয়ার মেন্টর ও বিচারক হিসেবে থাকছেন অনিমেষ আইচ, নাজনীন হাসান চুমকি এবং রিচি সোলায়মান।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসকে ‘ট্যুরিজম মান্থ’ হিসেবে উদযাপন করা হবে। ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব পর্যটন দিবসে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র একযোগে প্রকাশ পাবে নাগরিক টিভি এবং ‘চলো ঘুরে আসি’ ইউটিউব চ্যানেলে।
আয়োজকদের মতে, এই প্রকল্প শুধু একটি চলচ্চিত্র উদ্যোগ নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি সিনেম্যাটিক প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে দেশের অদেখা পর্যটনস্থলগুলো তুলে ধরা হবে এবং স্থানীয় কমিউনিটির অংশগ্রহণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে।
‘ফেস অব টুমোরো’-এর জন্য ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। আগ্রহীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আগামী ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

