জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করে ‘গানে গানে জুলাই’ শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান। গত ৩০ জুলাই সন্ধ্যায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মোস্তফা সরয়ার ফারুকী (বা নির্ধারিত প্রধান অতিথি)। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে মৃত্যুঞ্জয়ী বীর-বিপ্লবীরা—সন্তান-সন্ততি, ছাত্র-জনতাসহ যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন এবং যাঁরা সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন, সে সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহত ব্যক্তিদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের শিল্প-সংস্কৃতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে সমবেত সংগীত ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’, ‘চল চল চল’ ও ‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু’ পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কণ্ঠশিল্পীবৃন্দ। সমবেত সংগীত ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ পরিবেশন করে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস-এর শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’ পরিবেশন করে ‘সৃজনী’-এর শিল্পীবৃন্দ।
এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী জাকির হোসেন আখের, মিতা মল্লিক, ফুয়াদ নাসের বাবু ও মমতাজ রহমান লাবনী। ‘এ কি অপরূপ রূপে মা তোমার’ গানটি সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ। সবশেষে সমবেত সংগীত ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ পরিবেশন করে সরকারি সংগীত কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

