পৃথিবীতে ছোট-বড় অগণিত প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। সেগুলোর ভেতর বৃহত্তম স্থলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী হলো হাতি । এরা প্রোবোসিডিয়ান বর্গের সদস্য। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এই প্রজাতির হাতি দেখতে পাওয়া যায়। সাধারণত দুই ধরনের হাতি দেখা যায়—এশিয়ান হাতি ও আফ্রিকান হাতি। বর্তমানে বেশিরভাগ হাতির অস্তিত্ব রয়েছে আফ্রিকা অঞ্চলে।
আফ্রিকান বুশ হাতি ও বন হাতি আকার-আয়তনের দিক থেকে বিশাল। একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ আফ্রিকান হাতির উচ্চতা ৩ দশমিক ২ থেকে ৪ দশমিক শূন্য মিটার (১০.৫ থেকে ১৩ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে। আফ্রিকান হাতির ওজন সাধারণত ৪ হাজার ৭০০ থেকে ৬ হাজার ৪৮ কেজির মতো হয়।
এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ওজনের জন্য রেকর্ড করা আফ্রিকান হাতিটি ছিল একটি বুশ হাতি। এর ওজন ছিল ১০ হাজার কেজি, আর উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ৮ ফুট। আফ্রিকান হাতি দিনে ৩০০ পাউন্ড পর্যন্ত খাবার খেতে পারে।
মাথার দুপাশের দুটি বিশাল কান দিয়ে বাতাস করে হাতি নিজের বিশাল দেহকে ঠান্ডা রাখে। হাতির শুঁড়ে ৪০ হাজারেরও বেশি পেশি থাকে। এই পেশিগুলোর সাহায্যে হাতি শুঁড় দিয়ে কোনো ভারী বস্তু তোলা, খাবার মুখে পুরে খাওয়া, বাচ্চা শাবকের যত্ন নেওয়া, গন্ধ শুঁকতে পারা এবং শত্রুকে জড়িয়ে ধরা ছাড়াও আরো অনেক রকম কাজ করতে পারে। আফ্রিকান হাতির গড় আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর। তবে কিছু কিছু হাতি ৮০ বছর পর্যন্তও বাঁচতে পারে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো হাতির মস্তিষ্ক। এরা সহজে কিছু ভোলে না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

