কর্ণফুলীতে চুরি হওয়া ৪১ দিন বয়সি এক শিশুকে মাত্র ২২ ঘণ্টার মধ্যে নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শক্রবার রাত ১টার পর শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিশুকে ফিরে পেয়ে স্বস্তি এসেছে পরিবারে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কর্ণফুলীর একটি বাসা থেকে ৪১ দিন বয়সি শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে ভাড়াটিয়া এক নারীর বিরুদ্ধে। তিনি শিশুটির পরিবারের পূর্বপরিচিত ছিলেন এবং নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় শিশুটির মা অভিযুক্ত ভাড়াটিয়ার কাছে শিশুটিকে রেখে এবং বড় দুই সন্তানকে বাসায় রেখে বাজারে যান।
কিছুক্ষণ পরে তিনি বাসায় ফিরে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাসার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ওই নারী শিশুটিকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত কর্ণফুলী থানায় অভিযোগ করে শিশুটির পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে কর্ণফুলী থানার পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে সেই নারী পালিয়ে যান।
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘পরিবার অভিযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান শুরু করি। প্রযুক্তির সহায়তায় শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করে নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই।’
উদ্ধার করে শনিবার রাত ১টার পর শিশুটিকে কর্ণফুলী থানায় নিয়ে আসা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে দ্রুততম সময়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় কর্ণফুলী থানার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছে শিশুটির পরিবার।
বিশেষ করে ওসি নূর আহমদ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হাসানাত মোহাম্মদ মাজেদুল হক, অপারেশন অফিসার এসআই তীথংকর দাস, এসআই মো. কামাল উদ্দিন ও এএসআই মো. আজমীর শরীফসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

