জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ফেনীতে প্রতীকী আদালতের রায়ে পলাতক শেখ হাসিনা, জুলাইয়ের ঘাতক নিজাম উদ্দিন হাজারী, আলাউদ্দিন নাসিম, জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন, শুসেন চন্দ্র শীল, স্বপন মিয়াজীর প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর করেছে জেলা ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মসূচির আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এ সময় শহীদ মিনারের বেদিতে প্রতীকী আদালত বসানো হয়। সেখানে বিচারক, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, সাক্ষী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং আসামির কাঠগড়ায় প্রতীকী আসামিদের উপস্থিতি দেখানো হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ মহিপালের হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত সাক্ষ্য ও আলোকচিত্র উপস্থাপন করলে প্রতীকী আদালত শেখ হাসিনা, নিজাম উদ্দিন হাজারী, আলাউদ্দিন নাসিম, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, শুসেন চন্দ্র শীল ও স্বপন মিয়াজির বিরুদ্ধে প্রতীকী ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন। পরে তাদের প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
এর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ বাহার বলেন, শেখ হাসিনা সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার কথা বলেছেন। একইভাবে নিজাম হাজারীও দেশে ফেরার কথা বলেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ঢোকার সবচেয়ে কাছের জায়গা বিলোনীয়া। সেখানে আমরা মালা নিয়ে অপেক্ষা করব। আসুন, আপনাদের যথাযথ মেহমানদারি করা হবে।’ শেখ ফরিদ বাহার আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহিপালে নিজাম হাজারী ও তার অনুসারীরা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।ওই সময় ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানানো হলেও নিজাম হাজারীর অস্ত্র এখনো জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় মামলার অগ্রগতি এবং ফেনীর হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলো এখনো ট্রাইব্যুনালে যায়নি বলেও সমালোচনা করেন তিনি।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

