ইসলাম শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের ধর্ম। সঠিকভাবে ইসলামের প্রচার ও চর্চা হলে তা সমাজ ও দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পীর-মাশায়েখ ও আলেম-ওলামারা দীর্ঘদিন ধরে ইসলামের প্রসার এবং মানুষের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এ ছাড়া অন্যায়, বিভাজন ও ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদকের নেতৃত্বে ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বলেন, আপনারা সঠিক ইসলাম প্রচার করে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যারা ধর্মকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটে, আপনারা তাদের থেকে দূরে থেকেছেন। বরং এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দেশের মাদরাসা শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রসার এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আলেম-ওলামাগণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদার করা গেলে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে। দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে আলেম-ওলামা ও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির বিষয়ে রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং বিষয়গুলো বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের উদ্যোগে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হলে তিনি আনন্দের সঙ্গে তা গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা কবি রূহুল আমীন খান, মহাসচিব মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী, উপদেষ্টা মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ আবু নোমান মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


