দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তর জনপদের সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বন্যা ও খরার মতো দুর্যোগ দূর হয়ে সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত হবে উত্তর জনপদ। এজন্যই বর্তমান দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
মঙ্গলবার রাজধানীর ‘বিয়াম’ মিলনায়তনে ‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি বা ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ষড়ঋতুর এ স্বদেশে দুর্যোগের সাথে আমাদের বেড়ে ওঠা। প্রতিনিয়ত নানা ধরনের দুর্যোগ এখানে আছড়ে পড়ে। দুর্যোগের দুর্বিপাকে সব হারানো নিঃস্ব মানুষের পাশে আশার আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যা-প্রবণ গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার ১৯টি উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমী বন্যার আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নতকরণ ও বন্যার আগাম সতর্কবার্তা প্রচারের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় সহযোগিতা করছে বলে জানান মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, বক্তৃতা করেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


