ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন তাদের নির্বাচনি এলাকাসহ সব মুসলমানের প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে এক শুভেচ্ছাবাণীতে তারা বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি শুধু পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ত্যাগ, আত্মসমর্পণ, মানবতা, সাম্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহিমান্বিত শিক্ষা।

প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন। কিন্তু কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহান বার্তা।

মন্ত্রীদ্বয় বলেন, বর্তমান বিশ্বে যখন হিংসা, বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বৈষম্য উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন ঈদুল আজহার শিক্ষা মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই উৎসব আমাদের শেখায়, প্রকৃত মর্যাদা ও সাফল্য তখনই অর্জন করা সম্ভব হয়, যখন তা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে। তাই ঈদুল আজহা সকল মানুষের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহমর্মী ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।

ঈদুল আজহার মূল ইতিহাস জড়িয়ে আছে হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অনন্য ত্যাগের সঙ্গে। মহান আল্লাহর নির্দেশে নিজের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু, অর্থাৎ পুত্রকে কোরবানি করার কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আ.)।

অপরদিকে, হযরত ইসমাইল (আ.)-ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ছিলেন। এই ঘটনা মানবজাতির জন্য এক অনুপম দৃষ্টান্ত।

পরিশেষে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা আপনার ও আপনাদের পরিবারের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে আবারও পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন