বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং মেট্রোরেলসহ গণপরিবহন খাতে সহযোগিতা জোরদার করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও জাপান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসার সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের অবকাঠামো ও যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মেট্রোরেলসহ আধুনিক, নিরাপদ, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো ও গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ চলছে। একটি সমন্বিত, নিরাপদ, জনবান্ধব ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের মতো উন্নয়ন সহযোগী দেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারিত হবে।
জবাবে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নগরায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ও টেকসই গণপরিবহন অবকাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতা, উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে।
তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশ ভবিষ্যতে অবকাঠামো উন্নয়ন, মেট্রোরেল, রেল যোগাযোগ, সড়ক পরিবহনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে। বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাওগাতুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


