জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে তাদের দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, তার দল কোনো অবস্থাতেই ভোটের মাঠ ছাড়বে না।
বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়া হবে। জুবায়ের বলেন, “কোনো অবস্থায় আমরা মাঠ ছাড়ব না।” এ জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতাও চান তিনি।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৭৪ লাখ টাকা নগদ অর্থসহ জামায়াতের ঠাকুরগাঁও জেলা আামিরকে আটক, কুমিল্লা-৪ আসনের এক রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য ও বডিওর্ন ক্যামেরার বিষয়ে অভিযোগ জানাতে ইসির সচিবের সঙ্গে জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা বৈঠক করেন।
পরে ব্রিফিংয়ে জুবায়ের অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে তাদের দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পুলিশ কিছু চিহ্নিত সাংবাদিককে নিয়ে ঘটনাটি প্রচার করে এবং ওই নেতাকে হেনস্তা করা হয়।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনায়, দলের এক জেলা পর্যায়ের নেতা ঢাকা থেকে যাওয়ার পর বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে ‘নাটকীয় পরিস্থিতি’ তৈরি করা হয়। জুবায়ের বলেন, ব্যাগে থাকা নগদ অর্থ ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বহন করা হয়েছিল এবং এটি কোনো অপরাধ নয়। ওই নেতা বর্তমানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কুমিল্লা-৪ আসনের এক নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জুবায়ের বলেন, ভোট না দিলে হাত-পা ভাঙার হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টতই ফৌজদারি অপরাধ। এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে বিভিন্ন স্থানে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর এবং নারী কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।
এছাড়া বডিওর্ন ক্যামেরা বণ্টনেও অসামঞ্জস্য থাকার অভিযোগ করেছেন জুবায়ের। তিনি বলেন, “কিছু আসনে অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং কিছু আসনে কম বডি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। যেখানে আমাদের সম্ভাবনা বেশি, সেখানে ক্যামেরার সংখ্যা বেশি—এটি কাকতালীয় নাকি অন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা পরিষ্কার হওয়া উচিত।”
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

