আমার দেশ সম্পাদকের মানহানির অপচেষ্টায় বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

গাজী শাহনেওয়াজ ও সাইদুর রহমান রুমী

আমার দেশ সম্পাদকের মানহানির অপচেষ্টায় বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচার এবং তাকে অপবাদ দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেড় শতাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। শনিবার যৌথ বিবৃতিতে দেশ-বিদেশের এই শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও আইনবিদরা বলেছেন, গত ১৮ ডিসেম্বর জুলাই বিপ্লবের অগ্রনায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকায় দুটি পত্রিকার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মাহমুদুর রহমানকে জড়িয়ে তার মানহানি করা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা ও অপরাধমূলক প্রচারণা চালিয়ে প্রথম আলোর কলাম লেখক এ এফ এম রাশেদুল হক মল্লিক ওরফে মারুফ মল্লিক এবং বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এপোলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

বিশিষ্টজন বলেছেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় মাহমুদুর রহমানের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে প্রচারণা চালানো হয়েছে তা ন্যাক্কারজনক কাজ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা। রাষ্ট্রের কর্তব্য হলো হামলা ও অপপ্রচারের উভয় ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ আইনি প্রতিকারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

বিজ্ঞাপন

তারা আরো বলেন, দুঃখজনকভাবে এ ঘটনা কেন্দ্র করে একটি চিহ্নিত ও স্বার্থান্বেষী মহল চিরাচরিত দুর্বৃত্তপনার রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা করতে গিয়ে আমার দেশ এবং পত্রিকাটির সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়। ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশ যখন একটি অনিশ্চিত এবং সংক্ষুদ্ধ সময় অতিক্রম করছে তখন মারুফ মল্লিক নামে এ লেখকের প্রচারিত 'কনস্পিরেসি থিওরি' নিঃসন্দেহে অপরাধমূলক বক্তব্য। এছাড়া তার প্রচারণা সমর্থন করে নতুন করে মিথ্যাচার করায় ওয়াহিদুজ্জামানও ন্যাক্কারজনক অপরাধ করেছেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা মনে করি, আমার দেশ-এর ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মারুফ মল্লিক এবং ওয়াহিদুজ্জামান ফৌজদারি অপরাধ করেছেন। তারা স্পষ্টই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর আক্রমণ করেছেন। তারা অপবাদ দিয়ে ও মানহানিকর অপরাধের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির চর্চা করেছেন। রাষ্ট্রের উচিত তাদের দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি দেওয়া। একই সঙ্গে মারুফ মল্লিক এবং ওয়াহিদুজ্জামানের উচিত তাদের অপরাধ স্বীকার করে আমার দেশ ও সম্পাদকের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া।

বিশিষ্টজন আরো বলেন, মিথ্যা দায় চাপানোর সংস্কৃতি হলো স্বাধীন মত প্রকাশের পরিবেশকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য সহযোগী অপরাধ। তাই মারুফ মল্লিক এবং ওয়াহিদুজ্জামানের পৃষ্ঠপোষকতাকারী যে কোনো প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলের নৈতিক কর্তব্য হলো তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পরিহার করা।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া ও ইস্তাম্বুল সেহির ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল আহসান, যুক্তরাজ্যের সোয়ানসি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মোকাররম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহিদুল হক, অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, ড. মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. ওহিদ উল্যা, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল হান্নান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইউনুস আহমেদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাফিউল ইসলাম, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, অধ্যাপক ড. গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস, অধ্যাপক ড. আখতার হোসাইন মজুমদার, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান, ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ এস এম গোলাম কিবরিয়া, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব কুর্দিস্তানের অধ্যাপক ড. তাইমুর শরীফ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারেক মুহাম্মদ শামসুল আরেফীন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শামসুজ্জামান।

সিঙ্গাপুরের নারইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইদুল ইসলাম, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার সহযোগী অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ ওসমানী, ফ্লোরিডা গালফ কোস্ট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. বাহারুল ইসলাম, অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের সহযোগী অধ্যাপক ড. ওবায়দুল হামিদ, ঢাবির সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ ওমর ফারুক।

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি সিলেটের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান, সানওয়ে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল বাশার ভূঁইয়া, তুরস্কের কারাবুক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. এ এস এম মাহমুদুল হাসান, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম সরকার, সহকারী অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম, মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল হালিম, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক রাকিব আল মামুন, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জি এম সেলিম আহমেদ, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মতিউর রহমান চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) ড. শাহা আলম, কানাডার লাভাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক জোহেব হাসান।

স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সহকারী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান খান রাজীব, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল করপোরেশনের ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের পিএলএলসি সামিট ল'এর আইনজীবী ওহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন মুসলিম কমিউনিটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান রাজ্জাক সৈয়দ, মুসলিম কাউন্সিল অব কানাডার মেম্বার মাসুদ আলী, শিক্ষাবিদ ও সমালোচক ড. আজাবুল হক, অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের প্রভাষক এবং সাউথ এশিয়ান পলিসি ইনিশিয়েটিভের নির্বাহী পরিচালক শিবলী সোহাইল, চবির প্রভাষক ড. মোমিন।

ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার প্রভাষক ড. এ কে এম মঈনুল হক, মালয়েশিয়ার বাইনারি ইউনিভার্সিটির প্রভাষক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রভাষক খালিদ ইয়াহইয়া, উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের প্রভাষক হাসান ইয়াহইয়া, শাবিপ্রবির প্রভাষক গোলাম রব্বানী, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, প্রভাষক জাকির হোসেন ও প্রভাষক জামাল উদ্দিন, চবির প্রভাষক মীম মিজান, চবির প্রভাষক মিজানুর রহমান খান পাঠান, কুষ্টিয়ার রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ছাদিকুল ইসলাম, ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক এনামুল হক, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মোহামম্মদ আজ্জাজুল ইসলাম।

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রভাষক ওমর হোসাইন, অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির খণ্ডকালীন প্রভাষক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন প্রভাষক ড. ফারুক আমিন, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের খণ্ডকালীন প্রভাষক মোহামম্মদ নুর উদ্দিন, ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিসের গবেষক ড. খান আবদুস সোবহান, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের গবেষক ড. আরিফুল হক, দেশটির হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আবদুল্লাহ আল মামুন, কানাডার লাভাল ইউনিভার্সিটির গবেষক আহসানুল করিম, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আয়েশা সিদ্দীকা, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব মন্ট্রিয়ালের গবেষক মোহামম্মদ আমিরুল ইসলাম।

তুরস্কের ইস্তাম্বুল ইউনিভার্সিটির গবেষক সাইয়্যেদ মাগফুর আহমদ, রাশিয়া সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব ভেটেরিনারি মেডিসিনের গবেষক আশিকুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের ওল্ড ডমিনিয়ন ইউনিভাসিটির গবেষক আহসান হাবিব, দেশটির ইউনিভার্সিটি অব তুলসার গবেষক এস এম জিয়া উর রশিদ, ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ার গবেষক মারজান সরকার, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাসের গবেষক হেলাল হোসেন, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাসের গবেষক এ কে এম বদরুজ্জামান, মালয়েশিয়ার গবেষক সুমাইয়া রাবেয়া, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহামের গবেষক ফুয়াদ আল আবির ও দেশটির গবেষক কামরুল হাসান।

চীনের তংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সোহেল রানা, জাপানের কিউণ্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক আবু ইউসুফ, কানাডার লাভাল ইউনিভার্সিটির গবেষক মাহিমা করিম, মালয়েশিয়ার গবেষক সাইফুল আলম, তুরস্কের আঙ্কারা হাজী বাইরাম ভেলি ইউনিভার্সিটির গবেষক মুস্তাফিজুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক সেন্ট লুইস ইউনিভার্সিটির এস কে মুহামম্মদ আসিফ, আঙ্কারা ইউনিভার্সিটির গবেষক সাইফুল ইসলাম, কানাডার লাভাল ইউনিভার্সিটির গবেষক আবদুল্লাহ নাঈম, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এস এম মাসুদ পারভেজ, যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক গোলাম সারোয়ার চৌধুরী, দেশটির টাস্কিগি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সাজাউল মোরশেদ সাজিব, চীনের নর্থ চায়না ইলেকট্রিক পাওয়ার ইউনিভার্সিটির গবেষক জান্নাতুল আরিফ, ইতালির পলিটেকনিকো দি তোরিনো ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষক মিজানুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের গবেষক মীর মুহাম্মদ ফাহাদ।

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক শেখ তাশরীফ উদ্দিন, ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটির গবেষক আবু রাফসান, ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার গবেষক মাহবুব আলম, রাশিয়ার ন্যাশনাল রিসার্চ ইউনিভার্সিটি হায়ার স্কুল অব ইকোনমিক্সের গবেষক আবুল হাসান, দা ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক শাহ জালাল উদ্দিন, চীনের ইউনিভার্সিটি অব চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের গবেষক ইস্রাফিল হোসেন, ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পাহাং আল সুলতান আব্দুল্লাহর গবেষক নাজমুল হক, যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক মো. ইসলাম, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশের ব্যারিস্টার সুমাইয়া আনজুম কাশফি।

তাজুল ইসলাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের আইনজীবী ওয়ালিউদ্দিন তানভীর, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের জিআইএস বিশ্লেষক আকিব জাভেদ, মার্চ ফর জাস্টিস কানাডার নির্বাহী পরিষদ সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্রের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফর বাংলাদেশের সমন্বয়ক (ওয়াশিংটন ডিসি) ড. হাশমত সিকদার, অস্ট্রেলিয়ার সমাজকর্মী ও কাউন্সেলর লায়লা পারভীন, গ্লোবাল রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের সমন্বয়ক মাহমুদ আনোয়ার, অ্যালায়েন্স ফর উইটনেস ট্রান্সপারেন্সি বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, ইনস্টিটিউট ফর ইনোভেশন ইন পলিসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন।

রাজধানীর নীলক্ষেত হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরমান আলী, সিলেট ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল শিব্বির আহমদ ওসমানী, নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের শিক্ষক মাহতাবুদ্দিন আহমেদ, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় শিকাগোর টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থটের সহকারী পরিচালক ফারহাদ আহমদ, নতুন এক মাত্রার (ঢাকা) নির্বাহী সম্পাদক ড. ফজলুল হক তুহিন, জুলাই ২০২৪ চেতনা পরিষদ রাজশাহীর যুগ্ম আহ্বায়ক ড. নাজিব ওয়াদুদ, আরটিএনএন মাল্টিমিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার রাসাদুর রহমান, সাংবাদিক ও অধিকারের মানবাধিকার কর্মী আবদুল কাইয়ুম।

অস্ট্রেলিয়ার নাজ মেরিন অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের মেরিন সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন নজমুল হুদা, কনসেপ্ট বিল্ডার্স লিমিটেডের পরিচালক ও সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন মিয়াজী, সুলতানপুর জেনারেল ট্রেডিং এলএলসির ম্যানেজার হাফিজ রহমান, স্কাইউইংস ইন্টারন্যাশনালের সহকারী ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মাহবুব আল হাসান, আলিফ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির গ্রুপ জিএম (এইচআর ও কমপ্লায়েন্স) কামরুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকার মঞ্জুর হাসান, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যাংকার তাসনুভা রুব্বিয়াত, সানরাইজ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আসাদ, পার্পল স্কুল অব মোটরিং লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ মহসিন।

পার্পল স্কুল অব মোটরিং লিমিটেডের পরিচালক ফজিলত বেগম, এলপিএল ফিন্যান্সিয়ালের লিড এসআরই ইঞ্জিনিয়ার শরীফ আহসান, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার (অব.) এম এ মতিন, এস এস অ্যাগ্রো ট্রেড লিংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোজাম্মেল হোসেন, নফ সিলিং সল্যুশন জিনের টেরিটরি ম্যানেজার (মিডল ইস্ট) মোহাম্মদ মোজাম্মেল, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিবার সায়েন্টিফিকের প্রোডাকশন কেমিস্ট মাহবুবুল হক হাসান, উইন্ডসর ফ্যামিলি মেডিক্যাল সেন্টারের চিকিৎসক মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, ওপিই টেকনোলজিসের গবেষণা ও উন্নয়ন ইঞ্জিনিয়ার আবরার মোহসিন সামিন।

যুক্তরাষ্ট্রের রেডস্টোন টেকনোলজিসের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট আসম ফখরুদ্দিন, টিএফই গ্লোবালের গ্রুপ সিইও ও প্রধান গবেষক ড. শাহনূর বেগম, এমটিএস টেকনোলজি সল্যুশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তারেক, গ্রিডটেক রিসোর্সেস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরতাজ চৌধুরী, অস্ট্রেলিয়ার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার খালিদ সাইফুল্লাহ, কাজী ইকুইটিজ লিমিটেডের অপারেশনস ম্যানেজার ওয়াজিহউদ্দিন, সোনালী ইনটেলেক্ট লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম এবং চিকিৎসক মুহাম্মদ এন তালুকদার।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন