অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের অবৈধ উৎস, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে সরবরাহের অভিযোগে ঢাকার চারটি বারে একযোগে তল্লাশি চালিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
আরএ ডাব্লিউ ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ ও ফু ওয়াং বোওলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড এই চার প্রতিষ্ঠানে অভিযান চলছে।
শনিবার এনবিআরের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য জানায়।
এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার কয়েকটি বার, রেস্টুরেন্ট, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, প্রযোজ্য শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে এসব পণ্য সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অভিযানের জন্য কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) চারটি দল গঠন করে। এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর)-এর কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন।
অভিযানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন, তল্লাশি, নথিপত্র যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য আটক করার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে মজুত থাকা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের পরিমাণ, সেগুলোর বৈধ উৎস, আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত দলিল, প্রযোজ্য শুল্ক-মূসক ও আয়কর পরিশোধ এবং পণ্যের বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে। অভিযানে কোনো অনিয়ম বা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


