ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ

‘ভাই তো চাইলেই পারতেন, এড়িয়ে যেতে’

‘ভাই তো চাইলেই পারতেন, এড়িয়ে যেতে’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

গতকাল বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে এই হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

পোস্টে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব দায়িত্ব আছে সরকারে। মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক দায়িত্ব ছাড়াও অতিরিক্ত অনেক দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। তারপরও ছাত্রদের যেকোনো সমস্যা, আন্দোলনের সমাধান কিংবা যৌক্তিক দাবি আদায়ে সবসময় সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করি। অন্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়েও মাঝে মাঝে সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করি এবং সমঝোতার চেষ্টা করি।’

তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিষয়টিও আমার অফিসিয়াল দায়িত্বের আওতায় পড়ে না। কিন্তু দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে উদ্যোগ নিয়েছি।’

তথ্য উপদেষ্টার ওপর হামলার ঘটনা উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘কয়েক ঘণ্টা আগে মাহফুজ ভাইয়ের সঙ্গে যা ঘটল, তাতে হতাশ হয়েছি। ভাই তো চাইলেই পারতেন, ‘এটা আমার মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়’ বলে এড়িয়ে যেতে।’

এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবিতে আন্দোলনের বিষয়ে কথা বলার সময় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের মাথায় পানির বোতল ছুঁড়ে মারার ঘটনা ঘটে। এমন সময় কথা শেষ না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

Asif mahmud Post

প্রসঙ্গত, এদিন সকালে আবাসন সংকটসহ তিন দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরে বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে লং মার্চ শুরু করে মৎস্য ভবন এলাকা অতিক্রম করে কাকরাইল মসজিদের ক্রসিং মোড়ে পৌঁছালে লং মার্চে লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। এর প্রতিবাদে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যমুনার অভিমুখে কাকরাইল মসজিদের ক্রসিং মোড়ে অবস্থান নেন। বৃহস্পতিবারও সেখানে তাদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন