বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মরহুম রুহুল আমিন গাজী ছিলেন একজন আপসহীন সাংবাদিক নেতা। সাংবাদিকদের রুটি-রুজির আন্দোলনে তিনি সব সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সাহসী সৈনিক।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে রুহুল আমিন গাজী ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রুহুল আমিন গাজী; কারা জীবনের ১৭ মাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। বইটির লেখক তার ছেলে আফফান আবরার আমিন।
অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন গাজীর স্ত্রী লুৎফুন্নাহার মিনুর সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সাবেক মহাসচিব এমএ আজিজ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, বিএফইউজের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব বাছির জামাল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম মহসিন, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনির জারিফ।
এ সময় বক্তারা বলেন, সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবি, আইসিটি আইনে সাংবাদিক হয়রানির প্রতিবাদ এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন করাই ছিল তার অপরাধ। রুহুল আমিন গাজীর মতো এমন সাহসী নেতৃত্ব সাংবাদিক জগতে বিরল। দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তখনই তিনি বুক চিতিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।
সর্বশেষ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় অসুস্থ থাকার পরও তিনি রাজপথে নেমে সাংবাদিকদের সাহস জুগিয়েছেন। তার মৃত্যু সাংবাদিকতা জগতে একটি শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।
তারা আরো বলেন, তিনি কখনো কারো কাছে মাথা নথ করেননি। যেখানে সাংবাদিক নির্যাতন খবর পেয়েছেন সঙ্গে সঙ্গে এর বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। তার মতো যোগ্য নেতা আমাদের মধ্যে আর আসবে না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

