সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ৯০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ আছে বলে অভিযোগ আছে। ওই সম্পদের সন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে গতকাল বুধবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটির উপপরিচালক সিফাত উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ।
অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে জাল নথি তৈরি করে পাঁচ একর জমি পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে দেখান বিচারপতি মানিক। পরে সেখানে নিজস্ব ডেভেলপার দিয়ে সাতটি বহুতল ভবন নির্মাণ করেন, যার মূল্য প্রায় ৯০০ কোটি টাকা।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে সরকারি বাড়িতে থেকে ভাড়া না দেওয়া এবং অর্থপাচার করে লন্ডনে বাড়ি কেনারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। চিঠিতে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি বরাদ্দসহ সব সম্পদের নথি চাওয়া হয়েছে।
গত বছরের ২৪ আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিতর্কিত সাবেক বিচারপতি মানিককে। জুলাই বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে বহু আমলা, বিচারক এমনকি মসজিদের ইমামও পালিয়ে যান। তাদের মতো ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্ত এলাকা থেকে মানিককে আটক করে স্থানীয় জনতা। তারা তাকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হাতে তুলে দেয়। পরে তাকে থানায় হস্তান্তর করে বিজিবি। সেই থেকে কারাগারে আছেন মানিক।
তার নামে একের পর এক মামলা দিয়েছে দুদক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রশিকিউশন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং জুডিশিয়াল কিলিংসহ গুম-খুনে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

