আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশ পর

অনিয়মের বিষয়ে জানতে ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসকে মন্ত্রণালয়ের চিঠি

স্টাফ রিপোর্টার

অনিয়মের বিষয়ে জানতে ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসকে মন্ত্রণালয়ের চিঠি

ইরাকে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম নিয়ে আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশের পর অনিয়মের বিষয়ে মতামত জানতে চেয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত এবং অভিযুক্ত লেবার কাউন্সেলর (শ্রম) এর কাছে চিঠি ইস্যু করেছে মন্ত্রণালয়।

রোববার মন্ত্রণালয়ের (মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখা- ৩) সহকারী সচিব আবু তাহের স্বাক্ষরিত পৃথকভাবে এ চিঠি ইস্যু করা হয়। এতে বলা হয়, আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সার্বিক বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় ‘অনিয়ম ঢাকতে সার্ভার ত্রুটির দোহাই লেবার কাউন্সেলরের’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) আমির আব্দুল্লাহ মো. মঞ্জুরুল করিম পাঁচ হাজার চারশ কর্মীর চাহিদাপত্র গোপনে ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্মে (ওইপি) পাঠিয়েছেন। কিন্তু পাঠানোর দুই ঘণ্টার মধ্যে তিনি তা বাতিল করেন। এগুলো পাঠিয়েছিলেন এ. এস ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম এজেন্সি (আরএল-১৬২৭) নামক রিক্রুটিং এজেন্সিকে। পরবর্তীতে বিষয়টি সামনে আসার পর নিজের কারসাজি ও অনিয়ম ঢাকতে সার্ভারের ‘নিখুঁত’ ভুলকে দায়ী করেন তিনি। পাশাপাশি সার্ভার ‘এরর’ হওয়ার দোহাই দিয়ে দায়মুক্তিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।

এছাড়া ওই প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, প্রত্যেক চাহিদাপত্রের জন্য জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অর্থাৎ ৫৪০০ চাহিদাপত্র অন্তত ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার বিনিময়ে ওইপিতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, চিঠি ইস্যুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখার প্রধান এজেডএম নুরুল হক আমার দেশকে বলেন, প্রতিবেদনটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যেসব অনিয়মের কথা বলা হয়েছে সে বিষয়ে মতামত জানতে দূতাবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সার্বিক বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে প্রেরণ করতে হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...