চরম অব্যবস্থাপনায় চামড়ার বাজারে ধস

আবু সুফিয়ান

চরম অব্যবস্থাপনায় চামড়ার বাজারে ধস

বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা সত্ত্বেও বাংলাদেশের চামড়াশিল্প এখন বড় সংকটের মুখে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কড়া শর্ত, পরিবেশগত মানদণ্ডের অভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় এ শিল্প তার আগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সনদ বা ‘এলডব্লিউজি’ (লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ) নেই বলে বড় ব্র্যান্ডগুলো চামড়া কিনতে আগ্রহী হচ্ছে না। এলডব্লিউজি এমন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যারা কোনো কারখানায় পরিবেশ রক্ষা ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে সনদ দেয়।

এদিকে কারখানাগুলোতে উৎপাদন কম এবং পরিবেশের মান ঠিক না থাকায় রপ্তানি কমে গেছে। এতে দেশীয় ব্যবসায়ীরা দেশি চামড়া ছেড়ে বিদেশি চামড়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। বাটা বা এপেক্সের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সরাসরি চামড়া কেনা কমিয়ে বাইরের দেশ থেকে পণ্য কিনে নিচ্ছে। সরকারি জায়গা বরাদ্দ পেয়েও অনেক উদ্যোক্তা চামড়া রপ্তানি করতে পারছেন না।

বিজ্ঞাপন

অব্যবস্থাপনার ‘ক্লাসিক কেস’

২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া হাজারীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারে সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তর করা হয়। স্থানান্তরের পর থেকে চামড়ার বাজার রুগ্ণ হতে থাকে। এবারের কোরবানির ঈদে চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পেয়ে তা নদীতে ফেলে দেওয়া বা মাটিতে পুঁতে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে, যা এ শিল্পের বেহালদশা ফুটিয়ে তুলেছে।

ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, স্থানান্তরের পরই কেন এ শিল্প বড় ধরনের ধসের মুখে পড়ল?

এর উত্তর কিছুটা পাওয়া যায় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাম্প্রতিক এক মন্তব্যে। গত ২ মে সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) পরিদর্শনে গিয়ে তিনি স্বীকার করেন, ট্যানারিগুলো স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় চরম অব্যবস্থাপনা ছিল। তার ভাষ্যমতে, বর্জ্য শোধনাগারটি আজও পূর্ণ ক্ষমতায় চালু হয়নি এবং অনেক কারখানা এ প্রক্রিয়ার ধাক্কা

সামলাতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে। ১৯৫০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ঢাকার হাজারীবাগ ছিল এ শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। পরবর্তী সময়ে সাভার শিল্পনগরীতে এটি সরিয়ে নেওয়া হয়, যেখানে বর্তমানে ২০৫টি প্লটের বিপরীতে ১৬২টি ট্যানারি চালু আছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাতের রপ্তানি আয় ছিল ১১৪৫ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার। অথচ ফরচুন বিজনেস ইনসাইটসের তথ্য বলছে, বিশ্ববাজারে চামড়াজাত পণ্যের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে—২০২২ সালে যা ছিল ৪৪০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৭৩৮ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।

সিইটিপি ও অবকাঠামোগত ব্যর্থতা

অনুসন্ধানে এ খাতে পদে পদে অনেক সমস্যা উঠে এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) প্রত্যাশিত ফলাফল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৭ সালে স্থানান্তরিত হওয়ার পর থেকেই এটি পুরোপুরি কার্যকর নয়। এটি সচল করতে বিএমআর (ব্যালেন্সিং, মডার্নাইজেশন অ্যান্ড রিপ্লেসমেন্ট) করা প্রয়োজন। বিএমআর হলো, কোনো অকার্যকর কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এবং মানসম্মত করতে পুরোনো যন্ত্রপাতির আধুনিকায়ন ও সমন্বয় করার একটি প্রক্রিয়া।

এছাড়া বর্তমান অবকাঠামোতে ঈদের সময় চামড়ার অতিরিক্ত চাহিদা সামলানোর সক্ষমতা নেই। এজন্য আরো ২০-২৫টি মাঝারি ও বড় আকারের ফ্যাক্টরি ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপন করা জরুরি। এটি মূলত শিল্পকারখানার বর্জ্যমিশ্রিত বিষাক্ত পানিকে শোধন করে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক উপাদানমুক্ত করার একটি প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা।

গতকাল বুধবার সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীতে কথা হয় আহনাফ লেদারের স্বত্বাধিকারী মঞ্জুর আলম সোহাগের সঙ্গে। সেখানে ‘কিচেন ট্যানারির’ মেশিন ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে চামড়ার কাজ পরিচালনা করছেন তিনি। সোহাগ বলেন, ‘বর্তমানে ইউরোপীয় কাস্টমার না থাকা এবং সিইটিপি প্রকল্পের জটিলতাই মূল সমস্যা। সিইটিপি প্রকল্পে চীনের ঠিকাদারদের মাধ্যমে নিম্নমানের যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং দুর্নীতির ফলে প্রকল্পটি সঠিকভাবে কাজ করছে না, যা ২০১৭ সাল থেকে এ শিল্পে স্থবিরতা তৈরি করেছে।’

এ প্রসঙ্গে আনোয়ার ট্যানারির পরিচালক দিল মোহাম্মদ ভূঁইয়ার সঙ্গে আলাপে তিনি জানান, ‘সিইটিপি প্রকল্প সঠিকভাবে চালু না হওয়ায় বায়াররা সরে গেছে। কোরিয়ান ও ইতালিয়ান বায়ার হারানোর পর বর্তমানে তারা কেবল চায়নিজ বায়ারদের মনোপলি বা একচেটিয়া শর্তের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। স্থানান্তর পরবর্তী দীর্ঘ ৯ বছরে এ সেক্টরে সরকারি অবহেলা ও যথাযথ উদ্যোগের অভাবই মূলত এ পরিস্থিতির প্রধান কারণ বলে মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, ‘সাভারের সিইটিপির ধারণক্ষমতা ২৫ হাজার কিউবিক মিটার থাকলেও আসলে এটা ১৭ হাজার কিউবিক মিটার। আমরা ফিক্সচারে বিশেষত ৪০ হাজার কিউবিক মিটার পর্যন্ত লিকুইড ওয়েস্ট ডিসচার্জ করে থাকি।’

‘এলডব্লিউজি সনদ’ কেন দরকার

চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, বাংলাদেশের চামড়াশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় বাধা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা এলডব্লিউজি সনদের অভাব। অধিকাংশ বড় ব্র্যান্ড এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আমেরিকা ও জাপানের মতো বাজারগুলোতে পণ্য রপ্তানির জন্য এ সনদ বাধ্যতামূলক। এটি না থাকায় স্থানীয় উদ্যোক্তারা চাইনিজ নন-কমপ্লায়েন্ট বায়ারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এ সনদ পাওয়ার জন্য কেবল ট্যানারির পরিবেশ ঠিক করলেই হবে না, বরং সলিড ও লিকুইড বর্জ্য ব্যবস্থাপনার যথাযথ কনফার্মেশন প্রয়োজন, যা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ)-এর চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, ‘বাংলাদেশে এলডব্লিউজি সনদধারী কোনো ফ্যাক্টরি লোকাল চামড়ার ওপর কাজ করে না। একমাত্র ফ্যাক্টরি হেমায়েতপুরে আছে, সেটিও ইমপোর্টেড চামড়ার ওপর কাজ করে। সত্যিকার অর্থে হেমায়েতপুরে একটি এলডব্লিউজি ফ্যাক্টরিও লোকাল চামড়ার ওপর এখন পর্যন্ত নেই। এজন্যই চামড়া সেক্টরে আজ এ দুরবস্থা।’

কাঁচামাল সংকট, সরকারি প্লটের অপব্যবহার

বাংলাদেশের ট্যানারিশিল্পের আরেক বড় সমস্যা হচ্ছে, সরকারি প্লট বরাদ্দের অপব্যবহার। বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ)-এর ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান স্বপন বলেন, ‘সরকার ১৫৪ থেকে ১৫৬টি ট্যানারি প্লট দিয়েছে। কয়টা ট্যানারি সরাসরি এক্সপোর্ট করে? সরকার একটু খতিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবে, চামড়া সেক্টরের ক্রাইসিস কেন হচ্ছে। কারণ প্লট দেওয়া হয়েছে যাকে, তার কাছে ক্যাপিটাল নেই। সে প্লট নিয়েছে, কিন্তু এক্সপোর্ট করছে না। তাহলে লেদার সেক্টর ঘুরে দাঁড়াবে কীভাবে?’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তালমিলিয়ে গুণগত মান ও কস্টিং সিস্টেম ঠিক রাখতে না পারায় ভারত, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে। ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে চামড়ার দাম, গুণগত মান এবং কস্টিং সিস্টেম ও কস্ট কাটের যে প্রসিডিউর, সে প্রসিডিউর অনুযায়ী ট্যানারি সেক্টর এখন পর্যন্ত রেডি না। এ কারণে পুরো মার্কেট ভারত, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম দখল করে রেখেছে।’

বাটা বা এপেক্স প্রসঙ্গে এ ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘একসময় বাটা এবং এপেক্সের ট্যানারি ছিল। তারা কাঁচা চামড়া সরাসরি ক্রয় করত। পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক মন্দা ও কস্ট মিনিমাইজেশন এবং ক্যাপিটাল গেইনের জন্য তারা এখন আউটসোর্স করে। বাটা, এপেক্স ও বেÑএখন নিজেরা লেদার কিনে না।’

ব্যবসায়ীরা জানান, একটি বড় গরুর চামড়া সংরক্ষণে ৭ থেকে ১০ কেজি লবণ লাগে। সম্প্রতি লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংরক্ষণ ব্যয়ও বেড়েছে। ৭৪ কেজির প্রতি বস্তা লবণ এখন বিক্রি হচ্ছে ৯৩০ থেকে ৯৫০ টাকায়, যা কয়েক মাস আগেও ছিল ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা। একটি চামড়ার পেছনে শুধু পরিবহন খরচই ৪০০ টাকার বেশি। তার সঙ্গে বাড়তি লবণ খরচ যুক্ত হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা বাড়ছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট বাজারে লবণের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে চামড়ার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। চীনের বাজারে ৪০ সেন্টের বেশি দামে চামড়া কেনা হয় না। অথচ শুধু কেমিক্যাল, শ্রমিক, বিদ্যুৎ বিলসহ অন্য খরচ মিলিয়ে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি। চামড়াশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে চীনের বাইরে নতুন বাজার তৈরি করতে হবে।

ব্যবসায়ী ও মাদরাসাপ্রধানদের পর্যবেক্ষণ

চামড়াশিল্পের করুণ দশা প্রসঙ্গে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী কামরুল হাসান মারুফ বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক জটিলতা ও অব্যবস্থাপনাই এ শিল্পের প্রধান অন্তরায়।’ তিনি বলেন, ‘ভারতের চাপের কারণে আমাদের কেন্দ্রীয় ইটিপি (বর্জ্য শোধনাগার) প্রকল্প ঝুলে আছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা ‘কমপ্লায়েন্স সনদ’ না থাকায় আমরা চামড়া বিদেশে রপ্তানি করতে পারছি না। ফলে চীন ও ভারতের অসাধু চক্র খুব কম দামে আমাদের চামড়া পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে।’

চামড়া বিক্রির অভিজ্ঞতা নিয়ে বাবর রোড মেট্রোপলিটন কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এহতেশাম খান কাসেমী বলেন, ‘আমাদের সংগ্রহ করা ৮০টির বেশি খাসির চামড়া শেষ পর্যন্ত বিক্রি করতে পারিনি, নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেগুলো ফেলে দিতে হয়েছে।’

মারকাযুল কোরআন ওয়াল হিকমাহ মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মুহাম্মাদ ইসহাক খানের মতে, ন্যায্যমূল্য না পেয়ে এবং ক্রেতা না পাওয়ায় অনেকেই চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলতে বা ডাস্টবিনে ফেলে দিতে বাধ্য হন।

ঢাকার বড়কাটারা মাদরাসার সাবেক মুহতামিম মুফতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৮০ সেন্ট থেকে এক ডলার হলেও আমাদের এখানে সরকারি দর বেঁধে দেওয়া হয়েছিল মাত্র ৬২ থেকে ৬৪ টাকা। এভাবে কৃত্রিমভাবে দাম কমিয়ে রাখায় সহজেই চামড়া পাচার হচ্ছে, যা দেশের বিক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের লোকসানের কারণ।’

সমাধান কোন পথে?

ট্যানারি মালিকরা বলেন, চামড়াশিল্পের এ সংকটময় অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত এবং টেকসই মহাপরিকল্পনা। সমস্যার মূলে হাত দিয়ে প্রথমেই সাভারের সিইটিপির পূর্ণাঙ্গ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বিএমআর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ট্যানারিগুলোতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এলডব্লিউজি সনদ অর্জনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সরকারি ও বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগ প্রয়োজন। যারা সরকারি প্লট বরাদ্দের শর্ত ভঙ্গ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে দক্ষ ও প্রকৃত রপ্তানিকারকদের সুযোগ করে দিতে হবে।

[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন নজমুল হুদা শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা উত্তর]

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন