ফৌজদারি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পরও প্রভাবশালীদের দায়মুক্তি এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। তিনি বলেছেন, কোনো একটি ঘটনাকে সামনে এনে অন্য ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার গণমাধ্যম।
শুক্রবার ‘মুক্ত গণমাধ্যম, বাক্স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক সহিংসতা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার-২০২৬-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মারদিয়া মমতাজ জানতে চেয়েছেন, সরকারদলীয় যে সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল, তিনি কি আদৌ কোনো বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন?
বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন, সরকার একজন সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার পর গণমাধ্যমে ফলাও করে সাধুবাদ জানানো হয়েছিল এবং বিষয়টি বড় একটি পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ ছিল কি না এবং এর কোনো আইনি শাস্তি বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে কোনো কার্যকর ফলোআপ বা প্রশ্ন গণমাধ্যমে দেখা যায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, সেই পদত্যাগকারী এমপি এখন পর্যন্ত কোনো বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন কি না—তা কেউ জানতে চাইছে না। মূলত একটিকে দিয়ে আরেকটিকে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এতে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে মিডিয়া।”
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের যেমন পূর্ণ স্বাধীনতা থাকতে হবে, তেমনি তাদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায়ও আসতে হবে। অন্যথায় গণমাধ্যম রাষ্ট্রের স্বাধীন চতুর্থ স্তম্ভ না হয়ে কেবল সরকারের মুখপত্রে পরিণত হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


