বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ও বিতরণকারী সংস্থাগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) শুনানি শুরু করেছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটিশন মিলনায়তনে দুইদিনের এ শুনানি শুরু হয়।
শুনানি অনুষ্ঠানে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সংস্থাটির সদস্যরাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ভোক্তাদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরাসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
ভোক্তার দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদ করেন। তারা এ শুনানি বন্ধ করে প্রস্তাব ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, দেশের মানুষের নাভিশ্বাস হবে দাম বাড়ানো হলে। দেশে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। তারা বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করারও দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো দাম বাড়ানোর বিষয়ে তাদের প্রস্তাবে পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি এক দশমিক ২০ টাকা (১৭ শতাংশ) থেকে এক দশমিক ৫০ টাকা (২১ শতাংশ) দাম বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহক পর্যায়ে এক দশমিক ২৯ টাকা (১৪ দশমিক ২১ শতাংশ) থেকে এক দশমিক ৬১ টাকা (১৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ) বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও বিইআরসি সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিইআরসি সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি (ডেসকো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব পর্যালোচনা শুরু করেছে বিইআরসি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

