শিক্ষা খাতের বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের নির্দেশনা না থাকার অভিযোগ

Md. Raquibul Haque
রকীবুল হক

শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের নির্দেশনা না থাকার অভিযোগ

নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে শিক্ষায় রেকর্ড বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষার নানা উন্নয়ন কার্যক্রম চালানোর টার্গেটে এ খাতে বরাদ্দ জিডিপির দুই শতাংশে উন্নীত করে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সে অনুযায়ী আগের বছরের চেয়ে ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষাকে সরাসরি উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া আনন্দময় শিক্ষাদান, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে উপকরণ দেওয়ার ঘোষণা, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়িয়ে জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের মতো পদক্ষেপকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

তাদের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়টি দৃশ্যমান হয়েছে। তবে ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যথাযথ পরিকল্পনা ও যথাযথ খাতে ব্যয় করা এবং এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষাবিদরা।

এদিকে টাকার অঙ্কে রেকর্ড বরাদ্দ হলেও তা ইউনেসকোর নির্দেশনার (জিডিপির ৪ থেকে ৬ শতাংশ) চেয়ে এখনো অনেক পিছিয়ে থাকায় খুব বেশি সন্তুষ্ট নন শিক্ষা খাতের কেউ কেউ। তাছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হলেও তাতে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের কোনো নির্দেশনা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আন্দোলনরত ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে কোনো ঘোষণা না থাকায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষার জন্য ৪৬ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার জন্য ১৮ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে ৩১ হাজার সাত কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতে ৪১ হাজার ৭৫৩ কোটি এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা খাতে ১২ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে শিক্ষা খাতে মোট ৯৪ হাজার ৭১১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা ছিল জাতীয় বাজেটের মোট ১১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং জিডিপির এক দশমিক ৬৯ শতাংশ।

শিক্ষা খাতের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, আমরা শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাই। আমরা সেই কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যেখানে একজন শিক্ষার্থী তার নিজ মেধা, পছন্দ বা আগ্রহ অনুযায়ী দক্ষ কারিগর, প্রযুক্তিবিদ, কৃষি উদ্যোক্তা, গবেষক, শিল্পী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, ক্রীড়াবিদ কিংবা অন্য যেকোনো পেশায় সমান মর্যাদা ও সাফল্যের সঙ্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে ক্লাবভিত্তিক সহশিক্ষা কার্যক্রম যেমন—বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করা হবে। বাংলাদেশকে একটি দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা চালু করা হবে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার তৃতীয় ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেসব দেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছুদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রদান করছে। মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, শিক্ষার প্রকৃতপক্ষে বরাদ্দ এক লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার মতো, যা জিডিপির দুই শতাংশ নয়, এটি এক দশমিক ৭৯ শতাংশ। তবে বর্তমান বৈশ্বিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটেও এই বরাদ্দকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আগে শিক্ষার বরাদ্দের সঙ্গে অন্য বিষয় জড়িত করে শুভঙ্করের ফাঁকি থাকলেও এবার সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছি। এতে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়টি দৃশমান হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বাজেটের ১০টি অগ্রাধিকারের মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে রেখে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, এটা অবশ্যই ইতিবাচক। তাছাড়া সামাজিক সুরক্ষার অন্যান্য খাতেও শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় জড়িত আছে। তবে প্রাপ্ত বরাদ্দ শেষ পর্যন্ত যথাযথ ব্যবহার হয় কি না, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে যথাযথ পরিকল্পনা অনুযায়ী যথাযথ খাতে বিনিয়োগ এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জরুরি বলে মনে করেন এই শিক্ষাবিদ।

শিক্ষাবিদ ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরামের (ইউটিএফ) প্রধান সংগঠক মো. কবীর উদ্দিন বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে এবারের বাজেট দেখে মিশ্র অনুভূতি হচ্ছে। এতে ভালো-মন্দ দুটোই আছে। যেমন—প্রস্তাবিত বাজেটে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তাতে শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এটা স্পষ্ট। কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এটা যেমন ভালো দিক, আবার এর গুরুত্বের নামে যেন শুধু দালান তৈরি আর যন্ত্রপাতি কেনার নামে লুটপাটের বন্দোবস্ত না বানানো হয়। প্রকৃত অর্থে শিক্ষার পাশাপাশি কর্ম বা জীবনমুখী শিক্ষা যেন নিশ্চিত করা যায় এটাই চাওয়া।

তিনি আরো বলেন, সরকার বলছে, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি শক্ত করতে এই বরাদ্দ। শিক্ষক হিসেবে আমরা তো এটাই চাই। তবে খটকার জায়গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরাদ্দ বাড়ল, কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-বোনাস, নতুন পদ সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু নেই। একজন শিক্ষকের এখনো বাড়িভাড়া এক হাজার টাকা। বরাদ্দ বাড়লে সেটা শিক্ষকের জীবনমানে কতটা লাগবে? প্রতি বছর বই ছাপা, অবকাঠামো উন্নয়নে বড় অংশ টাকা যায়। কিন্তু ক্লাসে প্রজেক্টর নেই, ল্যাব নেই, ৭০ জনের ক্লাসে একজন শিক্ষক। টাকা বাড়লেই কি মান বাড়ে? এই জায়গায় কাজ করতে হবে।

কবীর উদ্দিন বলেন, তাছাড়া জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, এই বরাদ্দ দিয়ে আদৌ আগের চেয়ে বেশি কিছু করা যাবে কি না, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। টাকা শুধু ভবন আর বই ছাপানোতে খরচ না করে শিক্ষকের মানোন্নয়ন ও পড়ালেখার গুণগত পরিবর্তনেও খরচ হোক। প্রাইমারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সর্বস্তরে আকর্ষণীয় স্বতন্ত্র বেতন স্কেল বাস্তবায়ন জরুরি।

শিক্ষা বিশ্লেষক ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাছানাত আলী বলেন, একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় তার শ্রেণিকক্ষে। অথচ দীর্ঘদিন দেশে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশের আশপাশে সীমাবদ্ধ। যেখানে ইউনেস্কো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ শতাংশ জিডিপি শিক্ষায় ব্যয়ের সুপারিশ করে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৯৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে তা বৃদ্ধি পেয়ে এক লাখ ২২ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি করলেই হবে না; প্রশ্ন হলো, শিক্ষার মান কতটা উন্নত হবে?

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যেও বেকারত্বের হার উদ্বেগজনক। এর অন্যতম কারণ শিক্ষা ও শ্রমবাজারের মধ্যে দক্ষতার অমিল। তাই শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে, বাজেট সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব মো. জাকির হোসেন বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের এটি প্রথম বাজেট। ইশতেহারে উল্লেখিত উন্নয়নের বাস্তব পদক্ষেপ হিসেবে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারলে জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানো হলেও শিক্ষকদের জীবনমানের উন্নয়নের কোনো নির্দেশনা নেই। বিশেষ করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা থাকা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, সরকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তবে সরকারকে মনে রাখতে হবে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ৯৮ ভাগ দায়িত্ব পালন করে এসব এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। সরকার ‘এডুকেশন উইথ হ্যাপিনেস’ অর্থাৎ আনন্দময় পাঠদান নিশ্চিত করতে চাইছে। কিন্তু ক্ষুধার্ত শিক্ষক দিয়ে আনন্দময় পাঠদান সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, বাজেটে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়িয়ে জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের বিষয়কে আমরা স্বাগত জানাই। ইউনেসকোর নির্দেশনা অনুযায়ী, জিডিপির ৪ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা বাধ্যতামূলক। ঘোষিত বাজেটে মাত্র জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ঘোষিত বাজেটে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা নেই, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্ত বা জাতীয়করণ করা এবং ইবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, মিডডে মিল ও ড্রেস দেওয়ার ব্যাপারে কোনো ঘোষণা নেই।

আজিজী আরো বলেন, ঘোষিত বাজেটে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীত করা, সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও শ্রান্তি বিনোদন ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যে অর্থ বরাদ্দ করার জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাচ্ছি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন