দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হলেও আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির প্রবণতা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই রাত ও ভোরে শীতের অনুভূতি কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। এদিন সর্বোচ্চ ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে; তবে রাজধানীতে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ দুর্বল হয়ে বর্তমানে ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। এছাড়া দক্ষিণ আন্দামান সাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক দৈনিক আমার দেশকে বলেন, ‘শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। এরপর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে। মূলত আগামী ৪ থেকে ৫ নভেম্বরের দিকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করলে রাত ও ভোরের দিকে শীত অনুভূত হতে পারে।’
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারের পর শনিবার থেকে দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে আগামী ১ ও ২ নভেম্বর খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তীতে বর্ধিত দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরো হ্রাস পাওয়ার আভাস রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


