ইহুদি লোককথা ও আধ্যাত্মিক দি অ্যালফাবেট অব বেন সিরা এবং কাব্বালাহর একটা গল্প মনে পড়ল, যেখানে বলা হলো আদমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন লিলিথ, যিনি আদমের মতোই মাটির ধুলো থেকে সৃষ্টি, লিলিথ নিজের সমান মর্যাদা ও স্বাধীনতা দাবি করেছিলেন। কিন্তু আদমের কর্তৃত্ব মানতে অস্বীকার করায় তিনি সংসার ছেড়ে চলে যান। পরে তাকে নাইট ডিমিন বা দানবী হিসেবে চিত্রিত করা হয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝা যায়, প্রাচীন ইহুদি সমাজ একজন অনুগত স্ত্রীকেই গ্রহণযোগ্য মনে করত। ফলে ঈশ্বর প্রথমে আদমকে সৃষ্টি করেন, পরে তার এক পাঁজর থেকে ইভ বা হাওয়াকে সৃষ্টি করেন (জেনেসিস ২:২১-২২), যাতে তাকে পুরুষের অংশ হিসেবে ও অনুগত সঙ্গিনী হিসেবে দেখা যায়। একদিকে লিলিথকে বিদ্রোহী, বিপজ্জনক ও অসুর রূপে চিত্রিত করা হয়, অন্যদিকে ইভকে অনুগত ও পরিবারকেন্দ্রিক স্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে সমাজ একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়Ñযে নারী সমান অধিকার চাইবে, সে হবে অগ্রহণযোগ্য; কিন্তু যে নারী পুরুষের কর্তৃত্ব মেনে নেবে, সে-ই হবে আদর্শ স্ত্রী। নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে লিলিথ প্রথম বিদ্রোহী নারী যিনি সমান মর্যাদা দাবি করেছিলেন। আধুনিক চিন্তাবিদরা যেমন জুডিথ প্লাসকাও বা মেরি ডেলি দেখিয়েছেন, লিলিথ আসলে পুরুষতান্ত্রিক ধর্মীয় কাঠামোর শিকার। সমাজ তাকে ভয়ংকর করে তুলেছে, যাতে নারী স্বাধীনতার সিম্বলিজম দমন করা যায়।
এবার মূল আলাপে আসা যাক, ইতিহাসে নারী ও পুরুষ ভিন্ন ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে। তবে এর মানে নারী নিম্নতর নয়; বরং উভয়েই একে অন্যকে পরিপূর্ণ করে। মানুষের ইতিহাসে নারী ও পুরুষের সমতার প্রশ্ন সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসে নারী ও পুরুষের সম্পর্ক, ভূমিকা এবং অধিকার নিয়ে গভীর বিতর্ক চলমান। সমাজবিজ্ঞান ও দর্শন একদিকে বলছে নারী ও পুরুষ সমান অধিকার এবং মর্যাদার দাবিদার, অন্যদিকে জীববিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞান বলছে—এই দুই লিঙ্গ প্রকৃতিগতভাবে ভিন্ন। ফলে ইকোয়ালাটি (Equality) (সমতা) শব্দটি প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা হয়। বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, নারী ও পুরুষ কখনোই একই হতে পারবে না, তবে তারা সমান মর্যাদার অধিকারী হতে পারে। বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, নারী ও পুরুষ প্রকৃতিগতভাবে ভিন্নভাবে গঠিত এবং সেই ভিন্নতা তাদের জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়। চার্লস ডারউইন তার দ্য ডিসেন্ট অব ম্যান গ্রন্থে উল্লেখ করেছিলেনÑ যৌন নির্বাচনের প্রক্রিয়া নারী ও পুরুষকে ভিন্ন ভিন্ন শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্যে গড়ে তুলেছে। নারী ও পুরুষের দেহের মৌলিক গঠন ভিন্ন। পুরুষদের ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড এবং পেশির আয়তন গড়ে নারীদের তুলনায় বড়, যা শারীরিক পরিশ্রম ও অক্সিজেন পরিবহনে তাদের এগিয়ে রাখে। এ কারণে অলিম্পিক বা ক্রীড়াক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আলাদা বিভাগ রাখা হয়। নিউরোবায়োলজিস্ট স্যাপোলেস্কি বলেন— জীববিজ্ঞান ভাগ্য নয়, তবে এটি সীমা নির্ধারণ করে দেয়।
পুরুষদের মধ্যে বেশি টেস্টোস্টেরন থাকায় তারা গড়ে শক্তিশালী, পেশিবহুল এবং শারীরিক পরিশ্রমে বেশি সক্ষম, অন্যদিকে নারীদের দেহ চর্বি সঞ্চয় ও সন্তান জন্মদানের জন্য অভিযোজিত। এই জৈবিক কাঠামোগত পার্থক্যকে কোনো সামাজিক আইন বা আন্দোলন পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না।
শারীরিক সক্ষমতার দিক থেকেও সমতা অসম্ভব। আমেরিকান জীববিজ্ঞানী অ্যান ফসো স্টার্লিং তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, গড়পড়তা পুরুষের ফুসফুসের ক্ষমতা ও হৃদযন্ত্র নারীর তুলনায় বড়, ফলে অক্সিজেন পরিবহন ও শারীরিক শক্তি ব্যবহারে তারা এগিয়ে। আবার নারীরা বা দীর্ঘমেয়াদি সহনশীলতায় অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের টপকে যায়, যা প্রজনন ও মাতৃত্বের জন্য অপরিহার্য। অতএব, এখানে সমতার পরিবর্তে আমরা দেখতে পাই কমপ্লিমেন্টারি বা একে অন্যকে পূর্ণ করা। মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রেও পার্থক্য বিদ্যমান। স্নায়ুবিজ্ঞানী সিমোন ব্যারন কোহেন তার দ্য এসেনশিয়াল ডিফরেন্স বইতে বলেন—পুরুষের মস্তিষ্ক গড়ে (systemizing brain) আর নারীর মস্তিষ্ক (empathizing brain); পুরুষরা কাঠামো, দিকনির্দেশ ও প্রযুক্তিগত কাজে বেশি পারদর্শী, আর নারীরা আবেগ বোঝা, ভাষা ও সম্পর্ক রক্ষায় বেশি দক্ষ। তাই দুই লিঙ্গকে এক ছাঁচে মাপা বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। এছাড়া ফরাসি দার্শনিক সিমোন দ্য বুভোয়া তার গ্রন্থ সেকেন্ড সেক্স-এ বলেছিলেন, (One is not born, but rather becomes, a woman)Ñঅর্থাৎ, সামাজিক নির্মাণ অনেকাংশে নারীর অবস্থান নির্ধারণ করে। তবে তিনি স্বীকার করেন, নারী-পুরুষের জৈবিক পার্থক্যগুলো বাস্তব এবং এগুলো উপেক্ষা করে সমতা খোঁজা কৃত্রিম হবে। একইভাবে আমেরিকান চিন্তাবিদ স্টিভেন পিংকার বলেন— নারী-পুরুষ সমান মর্যাদার দাবিদার হলেও, তারা কখনোই একই রকম হতে পারবে না, কারণ জীববিজ্ঞান তাদের ভিন্ন করে গড়েছে। সব মিলিয়ে, নারী ও পুরুষের মধ্যে শারীরিক, প্রজননগত ও মানসিক পার্থক্যগুলো প্রকৃতিগত এবং গভীরভাবে প্রোথিত। তাই তাদের মধ্যে পূর্ণ সমতা বৈজ্ঞানিকভাবে সম্ভব নয়। তবে এর মানে বৈষম্য বা অবমূল্যায়ন নয়; বরং এর মানে হলো উভয়লিঙ্গ ভিন্নশক্তি, ক্ষমতা ও ভূমিকা বহন করে—যা একে অন্যকে সম্পূর্ণ করে। অতএব, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ স্পষ্ট করে যে নারী ও পুরুষ প্রকৃতিগতভাবে ভিন্ন। তাই পূর্ণ সমতা একটি কৃত্রিম ধারণা। তবে উভয়লিঙ্গ সমান মর্যাদার দাবিদার এবং সমাজকে এমনভাবে গঠন করতে হবে, যাতে তাদের স্বতন্ত্র শক্তি ও দক্ষতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ, নারী-পুরুষ সমতার চেয়ে বরং পরিপূরকতা।
এর ধারণাই বেশি বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত।
কোরআন নারী ও পুরুষ উভয়কেই একই উৎস থেকে সৃষ্ট বলে ঘোষণা করেছে—‘তিনি তোমাদের এক প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন।’ (৪:১) এর মাধ্যমে বোঝা যায় নারী-পুরুষ ontological অর্থে সমান। তবে সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্বে ভিন্নতা রয়েছে। পুরুষকে ‘কওয়াম’ (অর্থাৎ পরিবারপ্রধান) বলা হয়েছে, কারণ তার দায়িত্ব অর্থনৈতিক। অন্যদিকে নারীকে মাতৃত্ব, সন্তান লালন ও পারিবারিক স্থিতির মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখা হয়েছে। ঋগ্বেদ নারীকে অত্যন্ত সম্মান দিয়েছে : ‘যেখানে নারীকে সম্মান করা হয়, দেবতারা সেখানে বাস করেন।’ কিন্তু পরবর্তীকালে মনুস্মৃতি নারীর স্বাধীনতাকে সীমিত করেছে : ‘শৈশবে পিতার অধীনে, যৌবনে স্বামীর অধীনে, বার্ধক্যে ছেলের অধীনে।’ এখানে নারীকে একদিকে দেবীস্বরূপ সম্মান দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে পুরুষের অধীনতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মহাভারতের দ্রৌপদী প্রতিবাদী নারীর প্রতীক, আবার রামায়ণের সীতা অনুগত নারীর প্রতীক। হিন্দুধর্ম তাই নারীর প্রতি দ্বৈত মনোভাব প্রকাশ করেছে মহিমান্বিত সম্মান ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এমনকি প্রাচীন ভারতীয় হিস্টোরিসিটি ও হিস্টোরিওগ্রাফি ঘাঁটলে দেখা যায় যে ভারতীয় হিন্দু আওরাতদের সে সময় বোতলবন্দি বা ঘরবন্দি করে রাখা হতো আর এ জন্যই বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ভাষা থেকে অসূর্যস্পর্শা শব্দটি এসেছে এবং পর্দা শব্দটি ও এসেছে, কারণ সে সময় ভারতীয় নারীরা পর্দা করত। মূলত মুসলিমরা পর্দা করে না বরং হিজাব পালন করেন। আদতে আরবের নারীরাও ভারতীয় হিন্দু নারীদের থেকে ঢের বেশি স্বাধীনতা ভোগ করতেন। যাই হোক, বাইবেল (জেনেসিস ১:২৭) ঘোষণা করে : ঈশ্বর নারী ও পুরুষ উভয়কেই তার প্রতিচ্ছবিতে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু জেনেসিস -৩-এ বলা হয়, ইভের প্রলোভনের কারণে আদম নিষিদ্ধ ফল খেয়েছিল। ফলত নারীর ওপর প্রসব যন্ত্রণার অভিশাপ আরোপিত হয়। ইনজিলে স্ত্রীকে স্বামীর অধীন থাকতে বলা হয়েছে (এফেসিয়ানস ৫:২২), তবে একই সঙ্গে স্বামীকে স্ত্রীকে নিজের প্রাণের মতো ভালোবাসতে বলা হয়েছে।
খ্রিষ্টধর্ম তাই আধ্যাত্মিক সমতা স্বীকার করে, তবে নারীকে দোষারোপ করার প্রবণতাও রাখে। গৌতম বুদ্ধ প্রথমে নারীদের ভিক্ষুণী হতে দিতে দ্বিধা করলেও পরে ভিক্ষুণী সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। আঙ্গুত্তারা নিকায়া-তে বলা হয় : ‘নারী যেমন পুরুষ, তেমনি নির্বাণ লাভে সক্ষম।’ তবে নারীদের জন্য অতিরিক্ত কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছিল, যা পুরুষ ভিক্ষুদের জন্য ছিল না। অর্থাৎ বৌদ্ধধর্মে নারী-পুরুষ উভয়েই মুক্তির যোগ্য, কিন্তু সামাজিক বাস্তবতায় নারীর জন্য বেশি নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়েছে। তাওরাতে বলা হয় : ঈশ্বর নারীকে পুরুষের সহায়ক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন (জেনেসিস ২:১৮)। তালমুদে বলা হয়, স্ত্রী ছাড়া পুরুষ অসম্পূর্ণ। তবে ধর্মীয় আচার ও উত্তরাধিকারে পুরুষদের বেশি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ইহুদি ধর্মে নারীকে পরিপূরক সঙ্গী হিসেবে দেখা হয়েছে, কিন্তু বাস্তব অধিকারে অসমতা রাখা হয়েছে।
আদতে, পশ্চিমা নারীবাদ মেটিকিউলাস গোপন এজেন্ডায় মাশগুল বলেই স্কেপটিসিজম হরহামেশা জেয়াদা হচ্ছে। তারা শুধু নারী স্বাধীনতার পক্ষে নয়, বরং পরিবার ব্যবস্থা, জন্মগত ভূমিকা, পিতৃত্ব-মাতৃত্বের গুরুত্ব এবং সামাজিক স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার জন্য একটি সাংস্কৃতিক প্রকল্প হিসেবে নারীবাদকে এস্তেমাল করছে। ক্যামিল পাগলিয়া তার ‘সেক্সুয়াল পারনসোনা’ বইয়ে লিখেছেন, , নারীবাদ কখনো কখনো প্রকৃত শারীরিক ও মানসিক ভিন্নতাগুলো উপেক্ষা করে এবং এটি সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমান পশ্চিমা নারীবাদ প্রায়ই ‘ব্যক্তিগত স্বাধীনতা’ এবং ‘লিঙ্গ সমতা’কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বলে অনুমান করি। তবে এটিকে সমাজের বাস্তব কাঠামোর সঙ্গে সংঘর্ষমূলক এবং সীমাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি বলেই মনে হয় । জার্মান দার্শনিক ফ্রিডরিখ নিটশে তার ‘বিয়ন্ড গুড এন্ড এভিল’ বইয়ে বলেছেন, প্রাচীন এবং সামাজিক কাঠামো নারী ও পুরুষের প্রাকৃতিক পার্থক্যকে উপেক্ষা করে সমানতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। সমসাময়িক পশ্চিমা নারীবাদও প্রায়ই এই প্রাকৃতিক পার্থক্যকে উপেক্ষা করে।
ঐতিহ্যগত মুসলিম পরিবার একটি সমষ্টিগত একক, যেখানে পিতৃত্ব, মাতৃত্ব, সন্তানদের যত্ন এবং সামাজিক নিয়মাবলি মিলিত থাকে। পশ্চিমা ইন্ডিভিজুয়ালিস্টিক নারীবাদ মুসলিম সমাজে পারিবারিক অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে। যেমন : অ্যালান ব্লুম তার ‘দ্য ক্লোজিং অব দ্যি আমেরিকান মাইন্ড’ বইয়ে উল্লেখ করেছেন, পশ্চিমা নৈতিকতা এবং নারীবাদের সংস্কার তরুণ প্রজন্মের মানসিক ও নৈতিক স্থিতিশীলতা হ্রাস করতে পারে।
পরিশেষে বলব, জার্মান দার্শনিক ফ্রিডরিখ নিৎসে বলেছেন—‘মানুষ ও নারী একই বাদ্যযন্ত্রের দুটি চাবি।’ বাইবেলের কাহিনি শুধু একটি সঙ্গী সৃষ্টির গল্প নয়, বরং এর চারপাশে গড়ে ওঠা লোককথা, ধর্মতত্ত্ব ও প্রতীকের ভেতরে লুকিয়ে আছে গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য। লিলিথ ও ইভের কাহিনি আসলে নারী স্বাধীনতা বনাম অনুগত স্ত্রীর আদর্শের দ্বন্দ্বকে প্রতীকায়িত করে, যা আজও নারী-পুরুষ সম্পর্কের আলোচনায় প্রাসঙ্গিক। নারীর স্বাধীনতা ও সামাজিক অধিকার বৃদ্ধি করার জরুরত আছে, তবে এটি সর্বাধিক ব্যক্তিপরায়ণ এবং পরিবারবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করলে দীর্ঘ মেয়াদে পরিবার ও সমাজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। মুসলিম পরিবার ও সমাজে এই প্রভাব আরো সংবেদনশীল, কারণ সেখানে পারিবারিক সংহতি এবং সামাজিক নীতি প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই নারীবাদকে পরিমিত, নৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ভারসাম্যপূর্ণ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
লেখক: সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও গবেষক, ফ্রাই ইউনিভার্সিটি বার্লিন, জার্মানি
যোগাযোগ : sahidkamrul25@gmail.com
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


