ছোটবেলায় সুনির্মল বসু নামক এক কবির সুন্দর একটি কবিতা পড়েছিলাম। কবিতাটির নাম ছিল ‘হবুচন্দ্রের আইন’। রাজা হবুচন্দ্র তার মন্ত্রী গবুচন্দ্রকে ডেকে বললেন, আজ থেকে রাজ্যের জনগণ যতই কষ্টে পড়ুক কিংবা যতই শোকে মরুক—তারপরও কেউ কাঁদতে পারবে না। শাহি ফরমান অমান্য করলেই গর্দান কাটা যাবে। ফলে হাসপাতালে রোগীরা ব্যথা পেলে না কেঁদে হাসে। কয়েদখানায় কয়েদিরা সাজার খবর শুনে হাসে। স্কুলে ছাত্ররা শিক্ষকদের বেতের পিটুনি খেয়ে খিলখিল করে হাসে। এভাবে দিনে দিনে রাজ্য থেকে কান্নার শব্দ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেল।
এই রাজফরমানের ওপর জনগণের অভূতপূর্ব কমপ্লায়েন্স দেখে রাজা নিজেই সারপ্রাইজড হয়ে গেলেন! এতে রাজার ওপরেও অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক একটা চাপ কাজ করেছিল! সেই চাপ নিতে না পেরে রাজা নিজেই কেঁদে ফেললেন!
ছোটবেলায় এই কবিতাটি পড়ে সেই ছোট্ট মনেই প্রশ্ন জেগেছিল—এ রকম পরিস্থিতি কি আদৌ কোথাও সৃষ্টি হতে পারে?
কিন্তু এই জীবনে এমন জাহেলিয়াত দেখতে পারব—তা কস্মিনকালেও ভাবতে পারিনি! মনে হচ্ছিল, হুবহু হবুচন্দ্রের সেই রাজত্ব উপস্থিত হয়েছে। পেটে ক্ষুধার কথা বললেও পুলিশে ধরে নিয়ে যাবে—এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়ে পড়েছিল কিংবা ২০৪১ সাল পর্যন্ত থাকতে পারলে তেমনি হয়ে পড়ত।
তখন এ দেশে এক ভয়ংকর রানির উদয় হয়েছিল—ছিল তার হরেক রকম নাম! কেউ ডাকতেন হীরক রানি, কেউ ডাকতেন কাঁঠাল রানি, কেউ দস্যু রানি, কেউ মাফিয়া রানি! হিরক রানি জাফর ইকবালদের মতো লোকদের দিয়ে অনেক তন্তর-মন্তর ঘর সৃষ্টি করেছিল। সেসব তন্তর-মন্তর ঘর থেকে চেতনার বয়ান শেখানো হতো। যেমন পাকিস্তানের নাম নিলেই দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
ফ্যাসিবাদের সময়ে এ দেশের জনগণ মন খুলে নিজেদের কষ্টের কথাগুলো তেমন করে বলতে পারত না! কান্না ছিল—তবে তা বোবা কান্না!
এখন সেই বোবা কান্না থেকে সরব কান্না শুরু হয়ে গেছে। অর্থাৎ ৫ আগস্টের আগে মাফিয়া রানি পুরো জাতিকে টেরোরাইজ করে এবং জনগণের ওপর স্টিমরোলার চালিয়ে শাসন করে গেছে। সেই অবস্থা থেকে এখন জনগণের মুক্তি মিলেছে। এখন জনগণ খোলা মনে তাদের ক্ষোভ ও হতাশার কথা জানাতে পারে!
কিন্তু এই বোবা কান্না এবং সরব কান্নার মধ্যে পার্থক্য করতে ভুল করলে আবারও অন্ধকার অমানিশার মধ্যে হারিয়ে যেতে পারি। আমাদের এই গোলকধাঁধা বা চারদিকে ধুলায় অন্ধকার পরিস্থিতি থেকে ফায়দা তুলবে বিতাড়িত ডাইনি এবং তার দল! সবার প্রতি অনুরোধ, জল ঘোলা করে দেশ ও জাতির শত্রুদের হাতে অস্ত্র তুলে দেবেন না। বরং এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় একসঙ্গে খুঁজুন।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে—আগের নির্যাতনের কাহিনি স্মরণ করিয়ে আমি বর্তমানের বাস্তবতাকে কি ঢেকে রাখতে চাচ্ছি? এই লেখার মাধ্যমে আমি সরকারদলীয় কিছু নেতাকর্মীর সব অপকর্ম মেনে নেওয়ার পক্ষে ওকালতি করছি না। বরং বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিÑসেটিকেও সঠিক বলে মেনে নিতে পারছি না!
জনগণ আগে তাদের কষ্টের কথা, ক্ষোভের কথা তেমন করে বলতে পারত না। আজ তা বলতে পারে। সে কারণে মনে হতে পারে যে পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপ হয়ে গেছে! অর্থাৎ সমস্যা সমাধানের পথে আমরা একটা ধাপ এগিয়ে এসেছি। এখন আমাদের মূল সমস্যা সমাধানের পথে এগোতে হবে।
সরকার ভুল করবে, নেতা-নেত্রীরা ভুল করবে; কিন্তু সেই ভুলকে সংশোধনের নিমিত্তে আমরা যেন আবার ভুল পদক্ষেপ নিয়ে না বসি। কিংবা তা থেকে যেন বিতাড়িত শয়তান সুযোগ না নিতে পারে কিংবা নতুন বয়ান ছড়াতে না পারে যে আগেই ভালো ছিলাম।
এন্টি ইনকাম্বেন্সি (Anti-Incumbency) ফ্যাক্টর আমাদের মাঝে এত বেশি প্রবল হয়ে পড়েছে যে আমরা এখন সরকারের পক্ষে দু-একটি কথা শুনতেও প্রস্তুত নই। একটা সিরিয়াস প্রশ্ন নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। বর্তমান সরকার ব্যর্থ হলে আমরা কোথায় দাঁড়াব?
বর্তমান সরকারকে চিনির মতো, শরবতের মতো, মধুর মতো কিংবা মিছরির মতো ভালোবাসার লোকের অভাব নেই। মুশকিলে পড়ে গেছি আমরা যারা নুনের মতো ভালোবাসি। দলের সঙ্গে এবং দলীয় প্রধানের সঙ্গে যৎসামান্য যতটুকু যোগাযোগ ছিল, সেটিকে ব্যবহার করে এসব রূঢ় বাস্তবতা তুলে ধরতে চেয়েছি। দেশের প্রকৃত চিত্রটি তুলে ধরতে আমার সর্বোচ্চ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি!
বর্তমান সরকার, বিশেষ করে সরকারপ্রধানের খুব নেক নজরে নেই! অনেকগুলো বিষয়ে তার সরকার কিংবা নেতাদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছি। শক্ত সমালোচনা করে বা আনকমফোর্টেবল ট্রুথ জানিয়ে ব্যক্তিগত মেসেজ কেউ লেখেন কি না, জানি না!
এসব মেসেজের সবগুলো যে খুশি মনে গ্রহণ করেন—এমন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে আমার উল্লিখিত একটি বিষয়ে জোর আপত্তি জানিয়েছেন! ব্যক্তিগত আলাপচারিতার কারণে পুরো সাবজেক্ট ম্যাটারটি আলোচনায় টানলাম না। বিষয়টিতে তিনি আমার ওপর খুব নাখোশ হয়েছেন। নাখোশের পরিমাণ দেখে অনুমিত হলো, তিনি বোধহয় আমাকে ব্লক করে দেবেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। আমার মতো সাধারণ নাগরিকের নুইসেন্স (মাঝে মাঝে তার কাছে মনে হতে পারে) কথাবার্তা তিনি সহ্য করে যাচ্ছেন! এ রকম অনেক যন্ত্রণা দেওয়ার পরও আমাকে ব্লক না করার জন্য তার প্রশংসা না করে পারছি না।
তার মধ্যে এখনো কিছু বৈশিষ্ট্য দেখতে পাচ্ছি, যা গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে কাজে লাগতে পারে। তিনি যে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাচ্ছেন না—এই নগণ্যর সঙ্গে টক-ঝাল (মিষ্টি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত) এই সম্পর্কটি সেটারই ইঙ্গিত করে, আর এ কারণেই ঘটনাটি এখানে উল্লেখ করলাম! দেশ ও জাতির স্বার্থে আমি এই সুযোগটি কাজে লাগাব ইনশাআল্লাহ (যদি ব্লক করে না দেন)—আপনাদের কথা দিলাম। এখন একটু মনোযোগ দিয়ে নিচের কথাগুলো শুনুন।
গত পঞ্চাশ বছর মোটামুটি আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি এ দেশের রাজনৈতিক মাঠের দুই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ছিল। এসব ক্ষেত্রে রেফারির দায়িত্ব পালন করে দেশের বিবেক হিসেবে পরিচিত সিভিল সোসাইটি। কিন্তু দেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই সিভিল সোসাইটিকে ঠিকভাবে বিকশিত হতে দেওয়া হয়নি। একটি বিশেষ মতলব থেকে সিভিল সোসাইটি শব্দটির অনুবাদ করা হয়েছে সুশীল সমাজ, যাতে গুটিকয় এলিটের মধ্যেই এই সিভিল সোসাইটির পরিধিটি সীমিত হয়ে পড়ে! বাইরে থেকে কেউ সিভিল সোসাইটির সঙ্গে দেখা করতে এলেই সুলতানা কামালসহ গুটিকয় সুশীলকেই কুমিরছানার মতো করে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে উপস্থাপন করা হতো। এরাই মূলত সব রাজনৈতিক ও সামাজিক বয়ানের নির্মাতা হয়ে পড়েন! এরা পুরো সমাজকে চেতনার পক্ষে বনাম চেতনার বিপক্ষে ভাগ করে ফেলে! রাজনৈতিক পক্ষের মধ্যে একটিকে (আওয়ামী লীগ বলয়) ব্রাহ্মণ এবং অন্যটিকে (বিএনপি বলয়) নমশূদ্র বানিয়ে ফেলে। সংবাদপত্রকেও একইভাবে শ্রেণিবিন্যাস করে ফেলে।
আমরা জোর আশা করেছিলাম যে ৫ আগস্টের পর এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে—আমাদের সমাজ, আমাদের রাজনীতি, আমাদের সামগ্রিক চিন্তার জগৎটি নতুনভাবে বিন্যস্ত হবে! কিন্তু দেখা যাচ্ছে—আগের সেই অশুভ শক্তিই কলকাঠি নাড়ছে! একটা শক্তিশালী ‘সিভিল সোসাইটি’র উদ্ভব হোক, এটা তারা চান না—যারা সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার সাহস দেখাবেন! সত্য যার পক্ষেই যাক না কেন—তা বলতে কুণ্ঠিত হবেন না। আবার এই সিভিল সোসাইটিকে কবজা করে অন্য কোনো দল ফায়দা লোটুক—আমরা সেটিও চাই না। সেটি হলেও সিভিল সোসাইটির মূল উদ্দেশ্যটি ব্যাহত হবে। যিনি যে দল করতে চান—প্রকাশ্যে করুন। আগের মতো নিরপেক্ষ আওয়ামী লীগের মতো নতুন কিছু তৈরি হোকÑসেটিও চাই না।
বিএনপির হেভিওয়েট পলিটিশিয়ান মেজর আখতারুজ্জামানসহ আরো অনেকেই জামায়াতে যোগ দিয়েছেন! তারা তো এটি রাখঢাক করে রাখেননি। সম্ভাব্য বিরূপ সমালোচনা উপেক্ষা করে কর্নেল অলি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে যোগ দিয়েছেন। এতে কি ওনারা এক ঘরে হয়ে পড়েছেন? বরং জেনারেল ইব্রাহীমের মতো ব্যক্তিত্ব চেতনার পক্ষের বিশাল প্ল্যাটফর্মে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে নিঃশেষ হয়ে গেছেন!
এই তিতা ওষুধটিই জাতির জন্য দরকার। কাজেই সরকারকে ধাক্কা মেরে ফেলার চিন্তা বাদ দিয়ে এই ওষুধ সেবনে যার যার জায়গা থেকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে রাজনীতি করার প্রয়োজন নেই।
ড. মাহমুদুর রহমান পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতা দেখিয়ে সরকারের উপদেষ্টা হয়েছিলেন। আবার তিনি এই সিভিল সোসাইটি গঠনে মনোযোগ দিয়েছেন। এতে তিনি অন্যায় বা অন্যায্য কিছু করেননি। আসলে যেকোনো পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থের দিশা বা নৈতিকতার কম্পাসটি ঠিকভাবে ধরে রাখতে হবে! ড. মাহমুদুর রহমান, ড. দিলারা চৌধুরী, ড. মাহবুব উল্লাহদের মতো ব্যক্তিত্ব এখন জাতির বিবেক হিসেবে কাজ করতে পারেন! পুরো জাতি তাদের দ্বারা উপকৃত হতে পারে! সরকারি দল এবং বিরোধী দল জটিল এনটেঙ্গেলে আটকে গেলে তারা তা ছোটাতে পারেন! তাদের সেই পটেনশিয়ালটি নষ্ট করার জন্যই আগের সেই খেলোয়াড়দের রিমোট কারসাজিতে এসব ব্যক্তিত্বকেও জামায়াত ঘরানার বুদ্ধিজীবী বানিয়ে ফেলা হয়েছে।
একই তীরে আহত হয়ে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি জীবনেও জামায়াত-শিবির করেননি! অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিতে পারিয়াছিল যে সে আগে মরে নাই। কিন্তু তাজুল ইসলামরা এমন গ্যাঁড়াকলে পড়ে গেছেন যে কোনোভাবেই প্রমাণ করতে পারবেন না যে জীবনেও জামায়াত-শিবির করেননি!
দুই যুগ আগের কথা। তখন শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের জমানা। বিএনপির থানাপর্যায়ে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক আত্মীয়কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, রাজনীতি কেন করেন? তখন তিনি জীবন থেকে নেওয়া এক উদাহরণ দিয়ে আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন। বললেন, দেখ ভাই—আজ এক ছোকরা লাইনম্যান এসে আমার ইলেকট্রিক লাইন কেটে দিয়েছে। আমার দল ক্ষমতায় থাকলে এই বেটা লাইনম্যান এই সাহস কখনো দেখাতে পারত? এটাই চরম বাস্তবতা। রাজনীতিকে এখনো আমরা নীতির রাজা বানাতে পারিনি—এখনো প্রয়োজনীয় গার্হস্থ্য আইটেমের মতো করে রেখেছি।
বিএনপির প্রতি হতাশ শুভাকাঙ্ক্ষী, প্রতিপক্ষ এবং সিভিল সোসাইটির সদস্যদের এ কথাটি বুঝতে হবে যে বিএনপি একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক দল। রাতারাতি এই দলটিকে আদর্শবাদী যুধিষ্ঠির দিয়ে ভরে ফেলা সম্ভব হবে না। এখানে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছেন কিছু প্রাপ্তির আশায়। সেই প্রাপ্তির আশাটিও অন্যায় নহে। যেহেতু পুরো সমাজব্যবস্থায় এবং নৈতিকতায় ধস নেমেছে। ফলে ন্যায্যপ্রাপ্তির এ আশাটিও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনায় ঢাকা পড়ে গেছে!
তবে সাম্প্রতিক রাড্ডা হাসপাতালের ঘটনার পরম্পরা বুকে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। খালেদা জিয়া যেমন নিজ দলীয় এমপিকে জেলে পুরতে দ্বিধা করেননি, আশা করব বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও প্রয়োজনে সেই দৃঢ়তা দেখাবেন। তা না হলে আগের মতো উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে বসাতে চাইলে শুধু বিচারব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনাস্থাই বাড়বে না, সব রাজনৈতিক দুর্বৃত্তের কাছে একটা ভুল মেসেজও চলে যাবে !
সব শেষে মন্ত্রীদের বেতনবৃদ্ধি-সংক্রান্ত একটি সংসদীয় বিতর্কে অংশ নিয়ে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর একটি ভাষণের অংশ এখানে উল্লেখ করছি। তিনি বলেছেন, What we are looking for in a minister? First, character, this is a veto factor. If someone does not have the integrity, values and commitment to serve, then however capable he or she may be, that person should not be a minister. But character alone is not sufficient, minister also need competence, the judgement, ability and leadership to do the job well. And this is where remuneration becomes relevant.
অর্থাৎ ‘আমরা একজন মন্ত্রীর মধ্যে কী খুঁজি? প্রথমত, চরিত্র। এটি একটি ‘ভেটো ফ্যাক্টর’—অর্থাৎ কেউ যদি সততা, মূল্যবোধ এবং জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার না রাখেন, তাহলে তিনি যতই দক্ষ বা যোগ্য হোন না কেন, তাকে মন্ত্রী হওয়া উচিত নয়। আবার শুধু চরিত্রই যথেষ্ট নয়। একজন মন্ত্রীর দক্ষতাও প্রয়োজন—সঠিক বিচারবোধ, কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা এবং নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা। আর এখানেই মন্ত্রীদের পারিশ্রমিকের বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।’
হে মাবুদ! আমাদের কপালেও চাপাবাজদের পরিবর্তে এমন কিছু মন্ত্রী জুটিয়ে দাও! আমিন!
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


