হাওরে আগাম বৃষ্টিতে বোরো ধানে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটেছে। বাংলাদেশের প্রধান কৃষি ফসল ধানের মৌসুম তিনটি হলেও বোরো মৌসুমকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, কারণ বোরো ধান মোট ধান উৎপাদনের ৫৫-৬০ শতাংশ সরবরাহ করে। অথচ একসময় আমনই ধানের প্রধান মৌসুম ছিল। এখন আমন ধানের গুরুত্ব কমে গেছে, তবু আমন ধানের মাধ্যমে আসে ৩৮-৪০ শতাংশ আর আউশ ধান সরবরাহ করে ৬-৮ শতাংশ। ধানের মৌসুম অনুযায়ী উৎপাদনের এই তারতম্য প্রাকৃতিক নয়। এর পেছনে রয়েছে দেশে কৃষিসংক্রান্ত সরকারের নীতি এবং সে অনুযায়ী সুবিধা দেওয়ার বিষয়। বিশেষ করে, আধুনিক কৃষির প্রবর্তন করে ব্রি-ধানের জাতের উদ্ভাবন, যা মূলত সেচনির্ভর, সঙ্গে আছে সার-কীটনাশকের ব্যবহার। বীজের ধরন হচ্ছে উচ্চ ফলনশীল ও হাইব্রিড। বলাবাহুল্য, এই সহায়তার অর্থ হচ্ছে সেচের ব্যবস্থা করা, সার, কীটনাশক এবং কৃষিকাজের যন্ত্র সরবরাহ করা। এসবে ভর্তুকিও দেওয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার, যা কৃষক নয়, পাচ্ছে সার-কীটনাশক ও যন্ত্রের কোম্পানি। আজ সেই ধরনের একটি অবস্থায় দাঁড়িয়ে হাওরের বোরো ধানের বিপর্যয় নিয়ে আমাদের পর্যালোচনা করতে হচ্ছে। এবারের আগাম ও অতি বৃষ্টিতে পত্র-পত্রিকার খবর অনুযায়ী (ডেইলি স্টার ৮ মে, ২০২৬) ৪৯,০৭৩ হেক্টর বা ১১ শতাংশ জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে, নষ্ট হওয়া ধানের পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ১৩ হাজার টন। টাকার অঙ্কে ১০৪৭ কোটি, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ২৩৬,০০০। বলাবাহুল্য, বোরো ধানের জন্য এ ঘটনা দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতির জন্যও খুব উদ্বেগজনক।
বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে বোরো ধান চাষ হলেও হাওরের একটি মাত্র ফসল হিসেবে বোরো ধান খুব গুরুত্বপূর্ণ। হাওর এলাকা সবসময়ই বোরো ধানের জন্য খুব পরিচিত ছিল, তবে সে ধান ছিল স্থানীয় জাতের। এই ধান উৎপাদনে কোনো সেচের দরকার হতো না। হাওরের শুকনো মৌসুমে নিচু ভূমিতে যে পানি থাকে, সেখানেই ধান হতো। অত্যন্ত সুন্দর নাম ছিল ধানের, যেমন টেপি বোরো, রাতা বোরো, তুলসীমালা, খইয়া বোরো ও বালাম। হাওরের শুকনো মৌসুমে প্রায় ৬৮ লাখ হেক্টর জমি চাষের উপযোগী হয়ে ওঠে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ জমিতেই বোরো ধান হয়, যা সারা দেশে উৎপাদিত মোট বোরো ধানের প্রায় ১৮-২০ শতাংশ।
এখন আধুনিক জাতের প্রবর্তন করে উচ্চফলনশীল ধান চাষ করা হয়। এগুলো হচ্ছে বিআর ১১, ব্রি ধান ২৮, ব্রি ধান ২৯, ব্রি ধান ৮৮, ব্রি ধান ৮৯-সহ বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবিত ধান। হাইব্রিড ধানও চাষ করা হয়। ধানের বীজ সরবরাহ করেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। সব উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান সার-কীটনাশক-সেচের ওপর নির্ভরশীল। বোরো ধানের মধ্যে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবিত ব্রি ধান ২৮ এবং ২৯ বোরো ধান চাষে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে এবং হাওরে স্থানীয় জাত না করে এ ধানই চাষ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের ব্যাপক উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন ব্রি’র গবেষক বলছেন, সময়ের ব্যবধানে ব্রি ২৮ ও ২৯ জাত দুটির বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে আসছে। ব্রি’র মতে, এ বছর সারা দেশেই ব্রি ধান ২৮ ও ব্রি ধান ২৯-এর পাশাপাশি অন্যান্য ব্রি উদ্ভাবিত ধান যেমন ব্রি ধান ৮৯, ব্রি ধান ৯২, ব্রি ধান ৯৬, বঙ্গবন্ধু ধান ১০০, ব্রি ধান ১০১ এবং ব্রি ধান ১০২ ব্যাপকভাবে চাষ হয়েছে। এ জাতগুলোয় গড় ফলন হয়েছে বিঘাপ্রতি ২৮-৩৩ মণ। অর্থাৎ বোরো ধান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে কৃষকদের ওপর। এবারের বিপর্যয়ে বিএডিসি সরবরাহ করা বীজ সময়মতো না পাওয়া এবং মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
২০২২ সালের আগ পর্যন্ত হাওরে ধান কাটার জন্য কোনো যন্ত্র ব্যবহার করা হতো না। অন্য জেলার কৃষিশ্রমিকরা এসে ধান কেটে দিতেন। করোনার সময় থেকে হাওরে কৃষিশ্রমিক আনার সমস্যা ছিল বলে ২০২২ সালে কীটনাশক কোম্পানি এসিআইয়ের তৈরি করা কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর মেশিন ব্যবহার শুরু হয় সরকারি উদ্যোগে। শুধু কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর নয়, হাওরের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ করা হয় রিপার, পাওয়ার টিলার ইত্যাদী ব্যবহারের মাধ্যমে। ধান শুকানোর জন্য ড্রায়ার যন্ত্রও ব্যবহার করা হচ্ছে। এবারের দুর্যোগে এই মেশিন কোনো কাজে লাগেনি।
হাওর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান মিঠাপানির জলাভূমি। এই হাওর অঞ্চল ৩৭৩টি ছোট-বড় হাওর নিয়ে গঠিত, যা মূলত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি জেলা সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রায় ২ দশমিক ৬৩ লাখ হেক্টর আয়তনজুড়ে আছে [বাংলাদেশ জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর, মার্চ ২০২৫]। এই অঞ্চলে প্রায় দুই কোটি মানুষের বাস। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের কিছু তথ্য ব্যবহার করছি। তাদের সংজ্ঞায় ‘হাওর’ বলতে পাত্রাকৃতি নিচু নিম্নভূমিকে বোঝায়, যা বর্ষা মৌসুমে সাত-আট মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকে এবং শুকনো মৌসুমে (চার-পাঁচ মাস) অধিকাংশ এলাকায় ফসলি জমিতে পরিণত হয়। হাওরের মধ্যে ছোট ছোট স্থানীয়ভাবে পানি মগ্ন নিম্নভূমি স্থানীয়ভাবে ‘বিল’ নামে পরিচিত, যা দেশের অন্যান্য বিলের চেয়ে ভিন্ন। সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অংশজুড়ে বিস্তৃত নিম্নভূমিতে অবস্থিত হাওরগুলো বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির ও নদীর পানি ধারণ করে বিশাল একক জলাশয়ে পরিণত হয়, যা দেশের সর্ববৃহৎ জলজ বাস্তুতন্ত্র। আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে ২১ সীমান্তবর্তী নদী হাওরের পানিপ্রবাহে অবদান রাখে। [ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ২০২৫]
হাওরের বন্যা, আগাম বন্যা, কিংবা আগাম ও অতিবৃষ্টি এখন আর প্রাকৃতিক নয়, নিয়মিতভাবেই সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ২০১৭ সালে যে আগাম বন্যা হয়েছিল, তাতে হাওরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ প্লাবিত হয়েছিল, তখন ৮০ শতাংশ বোরো ধান নষ্ট হয়। আবার ২০২২ সালে দুই দফা আকস্মিক বন্যায় বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
শুধু কি বৃষ্টি? হাওরের কৃষকরা যেসব সমস্যার কথা বলছেন, তার মধ্যে রয়েছে শ্রমিক না পাওয়া, বৃষ্টির পানি বেরিয়ে যেতে না পারা, জলাবদ্ধতা, বাঁধ অকার্যকর হওয়া, ধানের বীজ ঠিকমতো না পাওয়া ইত্যাদি।
শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে কৃষক মাঠে গিয়ে ধান কেটে উঠতে পারছেন না। আগে অন্য জেলা থেকে কৃষিশ্রমিক এসে ধান বোনা ও কাটার কাজ করে দিতেন, যা কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কারণে চাহিদা কমে গেছে। শ্রমিক এসে কেটে দেওয়া এখন আর হয় না। কিন্তু এই বৃষ্টিতে যখন ধান পানিতে তলিয়ে গেল, তখন দেখা গেল যন্ত্র কাজে লাগছে না, হার্ভেস্টার পানি ও কাদায় নামতে পারছে না। জ্বালানি সংকটের কারণে হার্ভেস্টার ব্যবহার সীমিত হয়ে গেছে। কৃষক তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েকে সঙ্গে নিয়েও ধান কেটে কুল পাচ্ছেন না। একে অন্যের সাহায্যের জন্য প্রতিবেশীরাও সাহায্য করতে পারছেন না, কারণ সবারই এক অবস্থা।
তীব্র শ্রমিকসংকটে শ্রমিকের মজুরিও বেশি দিতে হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে যে শ্রমিক পাওয়া যেত ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়, সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে সেই শ্রমিককে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা দিতে হচ্ছে। অথচ ধানের দাম মিলছে না, ভাগ্য ভালো হলে ৭০০ টাকা মণ হয়তো পাওয়া যাবে। তাই পারিবারিক শ্রম ব্যবহার করে ধান কাটছেন কৃষকরা। ছেলেমেয়েরা স্কুলে না গিয়ে মা-বাবাকে সাহায্য করছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে শ্রমিকসংকট শ্রমিকের অভাবে সৃষ্টি হয়নি। বিগত বছরগুলোয় সব কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে করার কারণে শ্রমিকের চাহিদা কমে গেছে। অন্য জেলা থেকে আসা এই শ্রমিকরা হয়তো কাজ না পেয়ে বসে আছেন আর এদিকে হাওরের কৃষকরা শ্রমিকসংকটের কারণে উচ্চ মজুরি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। অথচ এর জন্য কোনো পরিকল্পনা নেই, আশা যে পানি শুকিয়ে গেলে মেশিন হয়তো নামবে।
আধুনিক বোরো ধান রক্ষার্থে হাওরে অকালবন্যা এবং পাহাড়ি ঢল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাঁধ দেওয়া হয়। এ কাজের দায়িত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের। অর্থাৎ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বোরো ধান রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড, যার প্রধান কাজ হচ্ছে মাটি কাটা এবং বাঁধ দেওয়া। এটা তাদের প্রজেক্ট। কিন্তু এই বাঁধগুলো অধিকাংশ সময় অপরিকল্পিতভাবে করা হয় এবং সময়মতো শেষ হয় না। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ফসল রক্ষার নামে হাওরের যেখানে-সেখানে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এসব বাঁধের কারণে হাওর থেকে বৃষ্টির পানি নামার রাস্তাগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। টানা বৃষ্টিতে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। হাওরের সাতটি জেলায় ৩১১টি বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, যার দৈর্ঘ্য ২২৮৪ দশমিক ৭৫। [মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪] শুরুর দিকে অনেক হাওরে কৃষক শত শত শ্যালো মেশিন বসিয়ে সেই পানি সরানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু যখন বৃষ্টি বেশি হয়, হাওর ভেসে যায়, তখন কৃষক বা পাউবো—কারোও আর কিছু করার থাকে না। প্রতিবছরই বাঁধের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাটি কাটার পরিমাণ। অপরিকল্পিত বাঁধের সঙ্গে বিপুল মাটি প্রতিবছর হাওরে, নদীতে, খালে ও জলাশয়ে এসে পড়ছে। মাটি কাটার ফলে একদিকে হাওরের জাঙ্গাল, উঁচু জমি, বন, গাছগাছালি ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে সেই মাটিতেই হাওরের জলমহাল, হাওর, হাওরঘেঁষা নদী ও খাল ভরাট হয়েছে। সব মিলিয়ে বাঁধই এখন গলার ফাঁস হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেক কৃষক। [বাংলা বিডিনিউজ২৪.কম ২ মে, ২০২৬]
এদিকে ২০২০ সালে কিশোরগঞ্জের তিনটি উপজেলা ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামকে যুক্ত করে অলওয়েদার ২৯ দশমিক ১৫ কিমি পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৬টি বাঁধ, ১৫ ব্রিজ, ৬৯ কালভার্ট ও ৩৫ স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়েছে, যা মাছের চলাচলের জন্য বাধা সৃষ্টি করছে।
বোরো ধানে ব্যাপক বালাইনাশকের ব্যবহার হয়; কীটনাশকের ২৫ শতাংশ বর্ষার পানির সঙ্গে জলাভূমিতে গড়িয়ে যায় এবং প্রায় ১৫-২০ শতাংশ রেসিডিউ হিসেবে থেকে যায়। অথচ হাওর থেকে শুধু ধান নয়, সারা দেশের আহরিত মাছের ৩০ শতাংশ, ২২ শতাংশ গবাদি পশু ও ২৪ শতাংশ হাঁস হাওর থেকে আসে। কীটনাশক ব্যবহারের কারণে গবাদি পশুর খাদ্য দূষিত হয়, হাঁস পালনও ব্যাহত হয়। এই তথ্যগুলো নীরবে থেকে যায়।
অন্তর্বর্তী সরকার হাওরাঞ্চলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ রক্ষায় কৃষিতে বালাইনাশক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বা সীমিত করার জন্য ২৯ সদস্যের জাতীয়, জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন করেছে আগস্ট ২০২৪ সালে। তিনটি মন্ত্রণালয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও পানিসম্পদ একত্রে বোরো মৌসুমে হাওর অধ্যুষিত সাত জেলায় বালাইনাশক বিক্রি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
হাওরের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ইজারা। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাওরগুলো রয়েছে। অধিকাংশ হাওর এলাকা ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আছে, যারা শুধু ইজারা দিয়ে এখান থেকে রাজস্ব আহরণ করে। হাওর ইজারা প্রায় রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহাজনদের হাতেই যায়। হাওরে ইজারা প্রথা বন্ধ দাবি কৃষক ও মৎস্যজীবীরা করে আসছেন।
হাওরে দুর্যোগ শুধু অকালবৃষ্টির কারণে নয়, অপরিকল্পিত ও উন্নয়নের ভ্রান্ত ধারণা এই দুর্যোগ কঠিন হয়ে উঠেছে।
লেখক : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



ইরান যুদ্ধে আমেরিকার ক্ষতিই চীনের জন্য বড় জয়
জিলহজের প্রথম দশকের মর্যাদা ও আমল