গত ২৪ মে জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদে এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নয়; বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের একটি শক্তিশালী প্রতীক এবং দেশবাসীর প্রতি একটি সুস্পষ্ট বার্তা। দীর্ঘদিন ধরে যে সূর্যালোক আমাদের ভবনগুলোর ছাদে অপচয় হয়ে তাপ হিসেবে ফিরে গেছে, সেই একই সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই সুযোগ কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়; বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক ভবন—সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। এখন মূল প্রশ্ন হলো, আমাদের সামনে থাকা এই বিশাল সম্ভাবনাকে আমরা কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারছি।
সম্ভাবনার অঙ্ক
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সৌরশক্তি আহরণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সম্ভাবনাময় একটি দেশ। দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে প্রতিদিন প্রতি বর্গমিটারে গড়ে প্রায় ৪ দশমিক ৫ থেকে পাঁচ কিলোওয়াট-ঘণ্টা সৌর বিকিরণ পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রকৃতি প্রতিদিন আমাদের ছাদে বিপুল পরিমাণ শক্তি বিনা মূল্যে সরবরাহ করছে। এই শক্তির সামান্য অংশও যদি কার্যকরভাবে বিদ্যুতে রূপান্তর করা যায়, তবে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত জমি পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। অথচ শিল্পকারখানা, বিপণিবিতান, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং আবাসিক ভবনগুলোর বিপুল পরিমাণ ছাদ এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। এই অব্যবহৃত ছাদগুলোই ভবিষ্যতে দেশের বৃহত্তম বিকেন্দ্রীভূত বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারে।
বিষয়টির গুরুত্ব বর্তমানে আরো বেড়েছে। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দুই হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করেছে এবং গ্রামীণ এলাকাগুলো তুলনামূলকভাবে আরো বেশি বিদ্যুৎ সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। একই সময়ে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫’-এ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। কয়লা বা প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে যেখানে দীর্ঘ সময়, বিপুল অর্থ এবং জটিল অবকাঠামোর প্রয়োজন হয়, সেখানে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে দ্রুত স্থাপন করা যায়। তদুপরি যেখানে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, সেখানেই উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় দীর্ঘ সঞ্চালন লাইনে শক্তি অপচয় কমে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
রুফটপ সৌরবিদ্যুতের বহুমাত্রিক সুবিধা
রুফটপ সৌরবিদ্যুতের সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান সুবিধা অর্থনৈতিক। নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে একজন গ্রাহক দিনের বেলায় উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারেন এবং পরবর্তী সময়ে সেই বিদ্যুতের সমন্বয় করে নিতে পারেন। ফলে মাসিক বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। একটি মানসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা সাধারণত ২৫ বছর বা তারও বেশি সময় কার্যকর থাকে, যদিও এর প্রাথমিক বিনিয়োগের অর্থ তুলনামূলকভাবে অনেক আগেই ফেরত আসে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি লাভজনক বিনিয়োগে পরিণত হয়।
দ্বিতীয়ত, রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে দিনের বেলায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদার সময় শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক ভবন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমে এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।
তৃতীয়ত, এর পরিবেশগত সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রতিটি অতিরিক্ত কিলোওয়াট জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হ্রাসে অবদান রাখে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য এটি কেবল পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয় নয়; বরং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।
চতুর্থত, রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করে। কয়লা, তেল কিংবা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) মতো আমদানিনির্ভর জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহ নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যে অনিশ্চয়তা বিদ্যমান, সৌরশক্তি তার একটি কার্যকর বিকল্প। সূর্যের শক্তি স্থানীয়, নবায়নযোগ্য এবং তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল একটি উৎস, যা বৈদেশিক জ্বালানিনির্ভরতা কমাতে সহায়তা করতে পারে।
এছাড়া রুফটপ সৌরবিদ্যুতের প্রসার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করছে। সৌর প্যানেল স্থাপন, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, নকশা প্রণয়ন এবং প্রযুক্তিগত সেবা খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত দেশের তরুণ প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে।
পথের কাঁটা
তবে রুফটপ সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা যত উজ্জ্বলই হোক না কেন, এর প্রসারের পথে কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো প্রাথমিক বিনিয়োগ ব্যয়। উন্নত মানের সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, মাউন্টিং কাঠামো এবং স্থাপন ব্যয় মিলিয়ে শুরুতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়, যা অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য এখনো উৎসাহহীনতার কারণ। দীর্ঘ মেয়াদে এই বিনিয়োগ আর্থিকভাবে লাভজনক প্রমাণিত হলেও প্রাথমিক ব্যয়ের বাধা অনেক সম্ভাব্য গ্রাহককে পিছিয়ে দেয়।
দ্বিতীয়ত, সৌরবিদ্যুতের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা হলো এর বিরতিনির্ভর প্রকৃতি। বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে সূর্যালোকের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় রাতের সময় কিংবা মেঘলা ও বৃষ্টিপ্রবণ দিনে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা অথবা জাতীয় গ্রিডের সহায়তা প্রয়োজন হয়।
তৃতীয়ত, প্রযুক্তিগত কিছু বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হয়। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালের উচ্চ তাপমাত্রা সৌর প্যানেলের কর্মদক্ষতা কিছুটা হ্রাস করতে পারে। একই সঙ্গে ধুলাবালি ও ময়লা জমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরো কমে যায়। তাই প্রত্যাশিত উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য। অন্যথায় তাত্ত্বিকভাবে সম্ভাব্য উৎপাদন এবং বাস্তব উৎপাদনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
চতুর্থত, দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রশিক্ষিত কারিগরের ঘাটতি, বাজারে নিম্নমানের যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা এবং নেট মিটারিং-সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতা এ খাতের বিকাশকে কিছুটা বাধাগ্রস্ত করছে। তাই রুফটপ সৌরবিদ্যুতের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য প্রযুক্তিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক—তিন ক্ষেত্রেই সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
উত্তরণের পথ
তবে এসব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করা অসম্ভব নয়। প্রথমত, অর্থায়ন-সংক্রান্ত বাধা দূর করতে সহজ শর্তে ঋণ, স্বল্পসুদের কিস্তি সুবিধা এবং ‘পে-অ্যাজ-ইউ-সেভ’ (Pay-as-You-Save) মডেল চালু করা প্রয়োজন, যার মাধ্যমে গ্রাহক বিদ্যুৎ বিলের সাশ্রয় থেকে ধীরে ধীরে বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। একই সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তৃতীয় পক্ষের মালিকানাভিত্তিক বা ভাড়াভিত্তিক ছাদ সৌরবিদ্যুৎ মডেল কার্যকর হতে পারে, যেখানে কোনো বাহ্যিক প্রতিষ্ঠান সৌর প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রি করবে। এর ফলে প্রাথমিক বিনিয়োগের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
দ্বিতীয়ত, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন-অনিশ্চয়তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তির ক্রমহ্রাসমান ব্যয় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। ব্যাটারিনির্ভর হাইব্রিড ব্যবস্থা বর্তমানে আগের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত ও অর্থনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। দিনের বেলায় উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সঞ্চয় করে রাতের সময় ব্যবহার করা গেলে গ্রিডের ওপর নির্ভরশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তৃতীয়ত, সৌর প্যানেল ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিশ্চিত করতে জাতীয় পর্যায়ে কঠোর মানদণ্ড, আধুনিক পরীক্ষাগার এবং কার্যকর প্রত্যয়ন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি, যাতে গ্রাহকরা নিম্নমানের পণ্য ব্যবহারের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকেন। চতুর্থত, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও কারিগরদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ব্যাপক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে এ খাতের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সবশেষে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে অনুকরণীয় উদ্যোগ গ্রহণ। জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ সেই বার্তাই বহন করে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনসভা যখন নিজেই সূর্যের শক্তিকে কাজে লাগানোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, তখন তা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ গৃহমালিকদের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠিত হলে পরিবর্তনের গতি ত্বরান্বিত হয় এবং ইতিবাচক উদাহরণ দ্রুত সমাজজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের অসংখ্য ছাদ আজ একেকটি সম্ভাবনাময় ক্ষুদ্র বিদ্যুৎকেন্দ্র। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎচাহিদা ও লোডশেডিংয়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমাধানের একটি বড় অংশ হয়তো আমাদের মাথার ওপরেই প্রতিদিন অবিরাম আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজন কেবল দূরদর্শী নীতিমালা, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং সম্মিলিত অঙ্গীকার। জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা যদি দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও আবাসিক ভবনে বিস্তৃত হতে পারে, তবে পরিচ্ছন্ন, টেকসই ও জ্বালানি-স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে আর বেশি সময় লাগবে না।
লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



আ.লীগ নেতাকে কাজ পাইয়ে দিতে টেন্ডারে বিশেষ শর্ত
চট্টগ্রামে সাধারণ হিন্দুদের জমি দখলে ইসকনের হামলা-মারধর