ইসলাম ও রাষ্ট্রীয় আইনবিরোধী ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে করা ও সহযোগিতাকারীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির (একাংশ) নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হক।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এই দাবি জানিয়ে বলেন, গত ২৫ জুলাই রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে একটি ট্রান্সজেন্ডারের (পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত) বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। যা বাংলাদেশের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুভূতির বিরুদ্ধে চরম বিদ্রোহের শামিল। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ইসলামী রীতিনীতি ও ধর্মীয় বিধিবিধান বিরুধী। এমনকি বিষয়টি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনের চরম লঙ্ঘন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের পরিপন্থী যৌন সম্পর্ক একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। দেশে এমন আইন থাকা সত্ত্বেও রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এমন অবৈধ বিয়ের অনুষ্ঠান কিভাবে অনুষ্ঠিত হলো? আজ জাতির বড় জিজ্ঞাসা বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আশরাফুল হক বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সরকার ও মিডিয়া যেভাবে উৎসাহ দেখান, আমরা আশাকরি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মিডিয়া মানবতাবিরোধী, সভ্যতা বিরোধী এই ট্রান্সজেন্ডারিং এবং এদের বিয়ে আরো কঠোরভাবে প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এভাবে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামিতা বৃদ্ধি পেলে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, পারিবারিক বন্ধন ও ইসলামী অনুশাসন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এসময় তিনি আগামীদিনের সমাজ ব্যবস্থা, সভ্যতা ও ধর্মীয় অনুভূতি সমুন্নত ও সুসংহত রাখতে এদের বিরুদ্ধে সরকারকে আরো কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


