রাজধানীর ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্কে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, সামাজিক ব্যক্তিত্ব, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দেড় শতাধিক নাগরিক আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগদান করেন।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে দলে বরণ করে নেন সভাপতি ও প্রধান অতিথি।
অনুষ্ঠানে দলটির আদর্শ, লক্ষ্য ও রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল ফেরদৌস, কর্নেল রউফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর আক্তারুজ্জামান, মেজর বজলুল হুদার ছোট ভাই নুরুল হুদা ডিউক, জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারানো সাঈদ, মঞ্চ-২৪-এর সংগঠক ইসরাত জাহান অর্পিতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিনিধি শান্তা আক্তারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাতজন শীর্ষস্থানীয় নেতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন এবং বাংলাদেশ আজাদ পার্টির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন ও শুভকামনা জানান।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাহাদুর শাহ পার্কের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের বীর শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থান শুধু একটি পার্ক নয়, বরং উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তারা নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর কবর জিয়ারত করেন। জিয়ারত শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় দলের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান নবাব সলিমুল্লাহর জীবন, কর্ম এবং ঢাকার উন্নয়ন ও মুসলিম সমাজের অগ্রগতিতে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তার সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

