হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আপনারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও ঋণ খেলাপিদের ঘুম হারাম করে দেব। মাদকের এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভুল থেকে ফিরে আসুন। কর্মসংস্থানের প্রয়োজন হলে আমাদের জানান—দোকান, গরু বা অন্য কোনো বৈধ উপায়ে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। কিন্তু কেউ যদি মনে করে এখানে মাদক ব্যবসা বা সিন্ডিকেট চালাবে, তাহলে তাদের অবস্থা খুবই খারাপ হবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের মরিচা গ্রামে এক নির্বাচনি সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এ কথা বলেন।
রাজনীতিতে মাদক ও চাঁদাবাজদের সঙ্গে আপসের সংস্কৃতির সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, অনেক বড় বড় নেতা এত দিন মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে রাজনীতি করেছে। এখন তারা পালানোর পথে। ইনশাআল্লাহ, অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের শেষ হবে।
নিজের সঙ্গে ছবি তুলে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার অপচেষ্টার সমালোচনা করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমার সঙ্গে ছবি থাকলেই কেউ আমার লোক হয়ে যায় না। এমন কি আমার বাবা যদি অবৈধ সুবিধা চাইতেও আসেন, তাকেও কোনো জায়গা দেওয়া হবে না। ছবি দেখিয়ে সম্পর্ক প্রমাণ করা যাবে না।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভোট দুই ভাবে হয়—একটা চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, টেন্ডারবাজদের সঙ্গে আপস করে। আরেকটা হয় সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে। আমি জনতার কাছে এসেছি। আপনারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও ঋণ খেলাপিদের ঘুম হারাম করে দেব।
নারীদের ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ইনশাআল্লাহ এবার আমাদের মায়েদের, খালাদের, চাচিদের ভোটেই আমরা সংসদে যাব। নারীরা একবার কথা দিলে সেটা কখনও ভাঙে না। এবারের ভোটে আপনারা আপনাদের সন্তান হিসেবেই আমাকে ভোট দিন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

