জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে জামায়াত নেতাদের বেশি কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে দাবি করে অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে সিপিবি ও গণফোরাম। তবে কয়েক মিনিট পরে তাদের সংলাপ স্থলে নিয়ে যান কমিশনের সদস্যরা।
বুধবার বিকেল পৌনে চারটা দিকে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন আহমেদ বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে প্রথমে গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সংলাপস্থল থেকে বের হয়ে যান। এসময় তার পেছনে বের হন সিপিবি সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ দুইজন। মিজানুর রহমন অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এসময় তাকে জড়িয়ে ধরে সংলাপ স্থলে যাওয়ার অনুরোধ করেন ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম। তবে সে সময় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। পরে কথা বলেন সেলিম।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, জামায়াতে ইসলামের তিনজন কথা বলেছেন। আমাদের একজন কথা বলতে গেলে তাকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি। তারা সেটা নোট নিয়েছেন। তাই আমরা সংলাপে ফিরে যাচ্ছি।
শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, আমরা যখন কথা বলেছি তখন আমাদের থামিয়ে দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামীর অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছিল তখন আমি বললাম এটা প্রাসঙ্গিক নয়। তখন তিনি বলেছেন, আপনি কতজন লোককে প্রতিনিধিত্ব করেন।
এসময় জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার আবারও তাদের সম্মেলন কক্ষে নিয়ে যান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

