ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ মার্কিন অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এতে চীন ও রাশিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা এবং তাদের নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
জার্নালটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দীর্ঘদিনের পেন্টাগন প্রক্রিয়ার আওতায় ‘অর্ডার্স বুক’ ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠানোর বিষয়টি তদারক করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্রের ঘাটতি এতটাই প্রকট হয়েছে যে ইউরোপে থাকা মার্কিন PAC-3 প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের ইন্টারসেপ্টর এবং ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতকে ‘ক্রিটিক্যাল সীমারও নিচে’ বলে বিবেচনা করা হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি হামলা অনেকটাই কমিয়ে আনলেও অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানির মতো দেশ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ এবং নতুন করে উৎপাদনের মাধ্যমে মজুত পুনর্গঠন করতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ ও এশিয়ায় সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য তাইওয়ান সংকট কিংবা রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সরবরাহ করা কঠিন হতে পারে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।
সূত্র: আলজাজিরা।
এমএমআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


