ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে একটি পক্ষ নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা আবার পেছন দিক থেকে ক্ষমতায় আসতে চায়। রোববার নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন দিয়েছে যে, চারশ‘ গজের মধ্যে কোন মোবাইল ফোন নেওয়া যাবে না।
তারা আবার কারচুপির নির্বাচন করতে চায়, পেছন দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা তরুণরা বেচে থাকতে তা হতে দেব না।
সোমবার দুপুরে গুলশান-২ নম্বরে ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের পক্ষে আয়োজিত গণসংযোগে এসব কথা বলেন। এসময় ডা. খালিদুজ্জামান, শিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। দিল্লির তাবেদাররা কাউকে পেছন দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে চাইলে এই স্বাধীন বাংলাদেশে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে।
সাদিক কায়েম বলেন, তরুণ ভোটাররা ন্যায়-ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আছে। তারা ১১ দলীয় জোটের পক্ষে মতামত দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে বসে আছে। সেই মতামতকে একটি শক্তি এরইমধ্যে ভয় পেয়ে গেছে। তারা নানা ম্যাকানিজম করছে। এসব মোকাবিলামায় তরুণদের সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী খালিদুজ্জামানের হাতে এই এলাকা নিরাপদ থাকবে ইনশাআল্লাহ। তার হাতে আপনাদের সম্পদ, মা-বোনদের ইজ্জতের নিরাপত্তা থাকবে ইনশাআল্লাহ। আপনারা এমন কাউকে নেতা বানাবেন না, যে আপনাদের রেখে চলে যাবে।
এমন কাউকে নেতা বানাবেন, যিনি জনতার কাতারেই থাকবেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেভাবে বিজয় হয়েছে, ইনশাআল্লাহ তরুণদের জুলাই আকাঙ্খা বাস্তবায়নে ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লার বিজয় হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

