বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, প্রকৃত দায়িত্বশীল সে-ই, যে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়।
তিনি বলেন, দায়িত্বশীল বা লিডারের মধ্যে নেতৃত্বের অনুভূতি থাকা জরুরি। একজন লিডার তার অধীনে সংঘটিত কাজের ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় নিজের কাঁধে নেবে এবং নিজের সীমাবদ্ধতাগুলো অধস্তনদের সামনে তুলে ধরবে, যাতে তাদের মধ্যেও দায়িত্বশীলতার অনুভূতি সৃষ্টি হয়। যুব মজলিস নেতা তৈরি করে না, বরং দায়িত্বশীল তৈরি করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের মজলিসে শুরা আমের সদস্যদের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী ‘লিডারশিপ এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম–২৬’ অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় তাগলিবে দ্বীন মারকাজে গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব বিকাশে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, গ্রুপ ওয়ার্ক, লিখিত পরীক্ষা, উত্তীর্ণদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং এহতেসাব ও হেদায়াতি বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফ ও কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা আল-আবিদ শাকিরের যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত এ প্রোগ্রামের বিভিন্ন সেশনে বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন দেশের বিশিষ্ট আলেম, গবেষক ও সংগঠকরা।
আলোচকরা হলেন-বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা ইমদাদ আশরাফ, লেখক ও চিন্তাবিদ মুসা আল হাফিজ, মাওলানা ফজলুর রহমান, ফরিদ খান, মাওলানা মোশাররফ হুসাইন লাবীব, মুফতি শহিদুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মাদ জাহিদুজ্জামান প্রমুখ।
শুক্রবার সমাপনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন। হেদায়েতী বক্তব্য প্রদান করেন কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম। সমাপনী বক্তব্য ও দোয়া পরিচালনা করেন নায়েবে আমির মাওলানা কুরবান আলী কাসেমী।
এএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

