শেষ ওভারের নাটকে আমিরাত জয়ী, সিরিজে সমতা

শেষ ওভারের নাটকে আমিরাত জয়ী, সিরিজে সমতা

বিজ্ঞাপন

শারজার মাঠ ছোট, হবে রানবন্যা। সংযুক্ত আরব আমিরাত আর বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে এই কথা বারবারই শোনা যাচ্ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে নিজেদের দলীয় রান ২০০ ওপারে নেয়। স্বাগতিকদের সামনে ছুঁড়ে দেয় ২০৬ রানের বিশাল সংগ্রহ। আরব আমিরাত ঝড়ো শুরুতে ইঙ্গিত দিয়েছিল ম্যাচ নিজেদের করে নিবে। মাঝে খানিকটা খেই হারালেও ধ্রুব পরস্কার ও হায়দার আলী ৮ম উইকেটে ৮ বলে ২৫ রানে ঝড়ে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় আরব আমিরাত। তাতে ২ উইকেটের জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা।

২০৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে আরব আমিরাতের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল যেন সহজেই ম্যাচ নিজেদের করে নিবে স্বাগতিকরা। অন্তত দুই ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম ও মোহাম্মদ জোয়াইবের ব্যাটিংয়ে তাই মনে হচ্ছিল। কারণ, ১০ ওভারে তাদের সংগ্রহ ছিল বিনা উইকেটে ১০৭ রান। এরপরেই শুরু স্বাগতিকদের ইনিংসে ধস। ১১তম ওভারে তানভীর ইসলাম ওপেনার জোয়াইব ফেরেন ৩৮ রান করে। এরপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করে স্বাগতিকরা। তবুও আশা ছিল অধিনায়ক ওয়াসিম থাকায়। ৮২ রান করে ফিরলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করে স্বাগতিকরা। ৮ম উইকেটে হায়দার আলী ও ধ্রুব পরস্কার ৮ বলে ২৫ রান তুলে আমিরাতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। শেষ ওভারে নাটকীয়কতায় জয় নিশ্চিত করে আরব আমিরাত।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড়ো ব্যাটিং করেন তানজিদ তামিম। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি পাওয়া তামিম আউট হন ৩৩ বলে ৫৯ রানে। ততক্ষণে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ৯.১ ওভারে ১ উইকেটে ৯০ রান। তামিমের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংসের গতি স্লথ হয়নি।

নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয় আর জাক্রত আলী অনিকরা উইকেটে নেমেই শুরু করেন ধুন্ধুমার ব্যাটিং। শান্ত ১৯ বলে ২৭, হৃদয় ২৪ বলে ৪৫ আর জাকের ৬ বলে করেন ১৮ রান। এছাটা অধিনায়ক লিটন ৩২ বলে করেন ৪০ রান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে মোহাম্মদ জাওয়াদউল্লাহ ৪৫ রানে নেন তিন উইকেট।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন