অ্যাথলেটিক ট্র‍্যাক বসানো ও স্টেডিয়াম উন্নয়নসহ যেসব সিদ্ধান্ত হলো বিসিবি সভায়

অ্যাথলেটিক ট্র‍্যাক বসানো ও স্টেডিয়াম উন্নয়নসহ যেসব সিদ্ধান্ত হলো বিসিবি সভায়

তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কমিটির চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ (২০ সেপ্টেম্বর)। সভায় ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো পুনর্গঠন, মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়াম ও বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের অবকাঠামো উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।

বিজ্ঞাপন

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমি (এনসিএ) মাঠে আন্তর্জাতিক মানের,আইএএএফ-অনুমোদিত অ্যাথলেটিক রানিং ট্র্যাক স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি। ক্রিকেটারদের অনুশীলন, ফিটনেস কার্যক্রমসহ অন্যান্য খেলাধুলার প্রয়োজন মেটাতে সেখানে তিন লেনের একটি বিশেষায়িত রানিং ট্র্যাক তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

শুধু তাই নয়, বোর্ড সভায় শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দুটি নতুন ড্রেসিংরুম নির্মাণ, খেলোয়াড়দের প্রবেশপথ এবং সাধারণ লবি এলাকার আধুনিকায়ন কাজেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ঘরোয়া টুর্নামেন্ট, অনুশীলন ম্যাচ এবং অন্যান্য ক্রিকেট কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন ড্রেসিংরুমগুলো ব্যবহার করা হবে। প্যাভিলিয়ন ভবনের বিদ্যমান ড্রেসিংরুমগুলো শুধু আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ব্যবহৃত হবে।

সভায় বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের সংস্কার ও উন্নয়নকাজের জন্য স্থাপত্য, প্রকৌশল ও প্রকল্প-প্রস্তুতিমূলক পরামর্শক সেবা দিতে একজন পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে বিসিবি।

এর বাইরে ওয়ার্কিং কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন ম্যাচ ফি অনুমোদন করেছে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ। পুরুষদের চার দিনের ক্রিকেটে ম্যাচ প্রতি ম্যাচ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এক দিনের ক্রিকেটে ১ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টিতে ৮০ হাজার টাকা পাবেন খেলোয়াড়েরা। জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় একাদশের ম্যাচ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার টাকা।

নারীদের ঘরোয়া ক্রিকেটেও বাড়ানো হয়েছে ম্যাচ ফি। তিন দিনের ক্রিকেটে ম্যাচ প্রতি ৪০ হাজার টাকা, এক দিনের ক্রিকেটে ৩০ হাজার টাকা এবং টি-টোয়েন্টিতে ২০ হাজার টাকা ম্যাচ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খেলোয়াড়দের দৈনিক ভাতা দ্বিগুণ করার অনুমোদন দিয়েছে বিসিবি। এত দিন দৈনিক ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পেলেও এখন থেকে তারা পাবেন ২০ হাজার টাকা।

ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামোতেও বড় পরিবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়। একটি একক প্রতিযোগিতামূলক কাঠামোর অধীনে ফার্স্ট ক্লাস বা চার দিনের ক্রিকেট, লিস্ট ‘এ’ ওয়ানডে এবং লিস্ট ‘এ’ টি-টোয়েন্টি-তিন ফরম্যাটকে নিয়ে ছয় দলের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা পদ্ধতি চালুর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বিসিবি।

প্রস্তাবিত কাঠামোর অধীনে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য করপোরেট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য দলগুলোর স্বত্ব বিক্রি বা অফার করা হবে। নতুন এই কাঠামোর অধীনে প্রথম ইভেন্ট হিসেবে টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে সেই টুর্নামেন্ট হতে পারে বলে জাঞ্জ্যেছে বিসিবি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...