সবার আগে সেমিফাইনালে জায়গা বুকিং দিয়েছে ভারত। পরে তাদের দেখানো পথে হেঁটে শেষ চারে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড। এ দুদলই নিজেদের গ্রুপ থেকে বিদায় করে দিয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে। তবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির গ্রুপ ‘এ’তে টেবিল টপার কে হবে? এটাই এখন প্রশ্ন। উত্তরটা দিতে আজ মাঠে নামছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুদল মুখোমুখি হবে বেলা ৩টায়।
গ্রুপে চার পয়েন্টের পুঁজি নিয়ে সবার ওপরে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। ভারতের সংগ্রহও সমান চার পয়েন্ট। তবে রান রেটে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলে রাজত্ব করে যাচ্ছে কিউইরা। তবে সে যাই হোক, আজ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে যারাই জিতবে, তারাই শীর্ষে থেকে খেলবে সেমিফাইনালে। দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছে ভারত। প্রথমবার দুদল খেলেছিল ২০০০ সালে আইসিসি নকআউট ট্রফিতে। সেবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে ক্রিস কেয়ার্নসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে মেন ইন ব্লুদের হৃদয় ভেঙে শিরোপা জিতে নিয়েছিল ব্ল্যাক ক্যাপস শিবির।
পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করার পর এটাই ভারতের প্রথম ম্যাচ। মাঝে কাটিয়েছে তারা ছয় দিনের দীর্ঘ ছুটি। সন্দেহ নেই চনমনে টিম নিয়েই মাঠে নামবে তারা। তবে দলে রয়েছে চোট নিয়ে উদ্বেগ। শুবমান গিলকে ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে। আর বিশ্রামে থাকতে পারেন রোহিত শর্মা। সতীর্থ লোকেশ রাহুল অবশ্য দলের তারকা ক্রিকেটারদের ইনজুরির খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রোহিতকে মাঠের বাইরে রাখতে পারে। শতভাগ ফিট ও সতেজ একাদশই মাঠে নামাতে পারে তারা।
নিউজিল্যান্ডও ছুটি কম পায়নি। বাংলাদেশকে হারানোর পর পাঁচ দিনের ছুটি পেয়েছে তারাও। ফুরফুরে মেজাজ নিয়েই গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষ করতে যাচ্ছে তারা। তবে সমস্যা হচ্ছে, রাওয়ালপিন্ডি থেকে দুবাই যেতে হয়েছে কিউইদের। ভ্রমণ ধকল খানিকটা থাকবে তো বটেই। তবে ছুটিটা একটু বড় হওয়ায় সমস্যাটা অনেকটা কাটিয়ে উঠেই মাঠে নামতে পারবে মিচেল স্যান্টনারের দল।
নিউজিল্যান্ডের রয়েছে ফিটনেস সমস্যা। অনিশ্চয়তা রয়েছে ড্যারিল মিচেলকে পাওয়া নিয়ে। রাচিন রবীন্দ্রসহ দলের বাকি ক্রিকেটাররা রয়েছেন ফিট। একই সঙ্গে আছেন দারুণ ফর্মেও। গত মাসেই চোট কাটিয়ে ফিরেছেন রাচিন। সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে দুবাইয়ের কন্ডিশনে ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। দুদলের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য অনেক এগিয়ে ভারত। ১১৮টি ওয়ানডে খেলে ভারত জিতেছে ৬০টিতে। বিপরীতে নিউজিল্যান্ড জয় পেয়েছে ৫০টিতে। একটি ম্যাচ হয়েছে টাই। বাকি সাত ম্যাচে কোনো ফল আসেনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

